রোজদিন ডেস্ক :
পশ্চিম বঙ্গ মমতাদির হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। এখানে পরাজিত হয়ে উনি দিল্লি গিয়ে কান্নাকাটি করছেন! আজ কলকাতায় বিজেপি জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে তীব্র কটাক্ষে বিঁধে এই সব বলেন।
আজ বিকেলে কলেজ স্ট্রীট থেকে ধর্মতলা অবধি দলের, “গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও” কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। পরে এক সমাবেশে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে একের পর এক তোপ দেগে বলেন, ওঁকে রাজ্যবাসী বিদায় করেছে। ওঁর আমলে রাজ্যে চরম অরাজক পরিস্থিতি হয়েছিল, এখন তার থেকে মুক্তি মিলেছে।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেন বিজেপি জাতীয় সভাপতি।
গতকালই দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে রামলীলা ময়দানে সুবিশাল সমাবেশ হয়েছে। তাঁকে বিঁধে নবীন নীতিন বলেন, এখানে যেমন মমতামুক্ত হয়েছে, দিল্লিকেও রাহুলমুক্ত করতে হবে।
মেঘলা শহরে বিজেপি র এই মিছিল, সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই উৎসাহ, উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বিকেলে কলেজ স্ট্রীটের এই কর্মসূচি তে নীতিন নবীনের সঙ্গে মিছিলে পা মেলান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার সহ বহু নেতা।
ধর্মতলার সমাবেশে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে আরও বলেন,একের পর এক ভুল, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিলে কংগ্রেসের এই অবস্থা হোত না। এই রাজ্যে তৃণমূলের পর উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী দল, দিল্লিতে আপ, বিহারে আরজেডি কেও ধরাশায়ী করা হবে।
কংগ্রেস, তৃণমূলের পরিবারতন্ত্র নিয়ে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য দেশের মানুষই পরিবার। তাঁদের জন্যই তিনি ভাবেন। তাঁদের সেবা করাই তাঁর মূল কাজ।
এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়ে তিনি বলেন, তবে কেরালা, তামিলনাড়ুতে জয় কিভাবে এলো? বিরোধীদের দ্বিমুখী নীতি মানুষ মানবে না।
২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ই ফের লাল কেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। উত্তর প্রদেশ,পঞ্জাব সহ সব রাজ্যেই বিজেপি জয়ী হবে বলে দাবি করেন।
আজ কয়েক ঘন্টার সফরে এখানে আসেন তিনি। বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার প্রমুখ তাঁকে স্বাগত জানান, পরে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন।

Be the first to comment