Little Nina-র বুদ্ধিতে রক্ষা পেয়েছিল তেল আভিভ গামী বিমান! 

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :

বিমান তখন মাঝ আকাশে। ককপিটের মধ্যে কি তান্ডব চলছে বিমান যাত্রীরা টেরও পাননি। ছয় বছরের ছোট্ট নীনা টয়লেটে গেছিল। ককপিটের মধ্যে কিছু একটা গোলমালের আঁচ পায় সে। ছুটে এসে বাবা জভিকা ম্যানেসকে জানায় তা। ফ্লাই দুবাই এর তেল আভিভ গামী বিমানের প্রথম সারিতেই ছিলেন নীনার মা বাবা। ছোট্ট মেয়ের ভয়ার্ত মুখ দেখে ষষ্ঠেন্দ্রিয় সজাগ হয় তাঁদের। ককপিটের দিকে তাকিয়ে দেখেন, আচমকাই বেরিয়ে এসেছেন রক্তাক্ত ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। ভিতরে সব ওলট পালট। চারদিকে রক্তের দাগ। প্রথমে হতচকিত হলেও নিমেষের মধ্যে দুই যাত্রী আসাফ রাজুয়ান, ইয়ানিভ হায়ুন কে নিয়ে ককপিটের দিকে দ্রুত চলে যান জভিকা ম্যানেস। ওমানি পাইলটের হাতে ধরা ছুরির তোয়াক্কা না করে তিনজন তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। অনেক কষ্টে তাকে কাবু করে বিমানের হেড ফোনের তার দিয়ে বাঁধেন।

অন্য দিকে বিমান তখন চালকহীন হয়ে হু হু করে নীচে নামছে। এক প্রচার মাধ্যমকে এই সব জানিয়ে জভিকা বলেন, বিমানের অন্দরে তখন ভয়াবহ পরিস্থিতি।

অনেকে আসন থেকে ছিটকে গেছেন। রক্তাক্ত, আহত স্মিত মচ্ছর মেঝেয় পড়ে, প্রাণের ভয়ে যাত্রীরা কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। শেষে বিমানে থাকা অবসরপ্রাপ্ত দুই পাইলট গিয়ে ককপিটে বসে পরিস্থিতি সামাল দেন। সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে তেল আভিভগামী বিমান। যাত্রীরা তখনও চরম আতঙ্কে।

সহ পাইলটের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর এখন সারা বিশ্বের নায়ক।

আর ছোট্ট মেয়ে নীনা! তার উপস্থিত বুদ্ধিতেই রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা, এমন্টাই মনে করেন সবাই। তাই নীনাকেও কুর্নিশ জানাচ্ছে সারা বিশ্ব।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*