রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যের বিরোধীরা যতই একে “বেকার ভাতা” বলে কটাক্ষ করুক না কেন যুবসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তিকরণ শিবিরে প্রথম দিনের ভিড় বুঝিয়ে দিল একদম সঠিক চালটি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব ঘোষণা মত রবিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে স্বনির্ভর বাংলা শিবির। আর প্রথম দিনেই শহর থেকে গ্রাম, ব্লক থেকে পঞ্চায়েত, বিভিন্ন ক্যাম্পে সরকারের নতুন ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে নাম লেখাতে উপচে পড়ল যুব সমাজের ভিড়। এক কথায় গোটা বাংলায় সাড়া ফেলে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘যুবসাথী’ প্রকল্প। প্রথমদিন সকাল থেকেই শিবিরে ভিড়। এই ভিড়ের বেশিরভাগই ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সিদের। তাঁদের লক্ষ্য যুবসাথী প্রকল্পের আবেদনপত্র। ৯০ শতাংশ আবেদনই যুব সমাজের জন্য বরাদ্দ এই প্রকল্পে। তথ্য বলছে, প্রথমদিনের শেষে রাজ্যজুড়ে আয়োজিত ৭৬৯টি শিবিরে আসা ৬ লক্ষ ২৯ হাজার মানুষের মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৬ হাজারই যুবসাথীর আবেদনপত্র সংগ্রহ করলেন। এর পাশাপাশি নতুন করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্র তুললেন আরও ৩১ হাজার জন। খেত মজুরদের আর্থিক সুবিধার জন্য আবেদন পত্র তুললেন প্রায় সাড়ে ৩৬ হাজার মানুষ। পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট মানুষ কতটা আগ্রহী এই প্রকল্পে যুক্ত হতে। চাকরির চেষ্টায় থাকা রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক পাশ-করা ২১ থেকে ৪০ বছরের যুবদের জন্য মাসিক ১৫০০ টাকা ভাতার ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এই আর্থিক সাহায্য। রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এই শিবির। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

Be the first to comment