রোজদিন ডেস্ক
চলে গেলেন সুলক্ষণা পন্ডিত। মুম্বাইয়ে র নানাবতী হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ফেলেন। বয়েস হয়েছিল ৭১।
সুকন্ঠী, সুগায়িকা সুলক্ষণা পন্ডিত বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। গান ছাড়া অভিনয় দক্ষতা ছিল তাঁর।
ছত্তিসগড়ের এক সঙ্গীতপ্রেমী পরিবারের সন্তান সুলক্ষণার রক্তে মিশেছিল সঙ্গীত। সুবিখ্যাত ধ্রুপদী গায়ক পন্ডিত যশরাজের ভাইঝি ও প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক যতীন – ললিতের বোন সুলক্ষণার অপূর্ব সুরেলা কন্ঠ এক সময় দেশের আমজনতার মন জয় করেছিল।
রাতে ভাই ললিত পন্ডিত তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনাবসান হয়েছে তাঁর। আজ দুপুরে শেষ কৃত্য হবে।
যশস্বী গায়িকা অভিনেত্রী সুলক্ষণা পন্ডিতের প্রয়াণের খবরে শোকস্তব্ধ বলিউড-সহ দেশের সাংস্কৃতিক মহল।
উলঝান, সংকোচ, হেরাফেরি, আপনাপন,খানদান, ওয়াক্ত কি দিওয়ার ইত্যাদি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় দক্ষতার পরিচয় মিলেছে।
সুলক্ষণা পন্ডিতের ব্যক্তিগত জীবনও ছিল বিয়োগান্ত।
সূত্রের খবর, উলঝানে অভিনয় করতে গিয়ে তিনি প্রয়াত নায়ক সঞ্জীব কুমারের প্রেমে পড়েন। কিন্ত সঞ্জীব কুমার তখন স্বপ্ন সুন্দরী হেমা মালিনীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। সেখানে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সুলক্ষণা পন্ডিত তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সঞ্জীব কুমার তা গ্রহণ করেন নি। উভয়েই আর বিয়েও করেন নি।
কাকতালীয় বিষয় এই যে, ১৯৮৫ সালের ৬ নভেম্বর জীবনাবসান হয়েছিল সঞ্জীব কুমারেরও। আজ সেই দিনে চলে গেলেন আজীবন কুনারী থেকে যাওয়া সুলক্ষণা পন্ডিত ও। যিনি সঞ্জীব কুমারের প্রয়াণের পর রূপোলি পর্দা থেকে কার্যত অলিখিত অবসর নেন। তাঁর বোন বিজয়েতা পন্ডিতও নামী অভিনেত্রী। আর দুই ভাই যতীন ললিতের সুরে মুগ্ধ সারা দেশই। এমন প্রতিভাবান পরিবারের কন্যা সুলক্ষণার প্রয়াণ নক্ষত্র পতনের সামিল।

Be the first to comment