রোজদিন ডেস্ক :
সকাল থেকেই এলাকায় ঘুরছেন ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি কালিঘাটে জয়হিন্দ ভবনের কাছে যেতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। টিএমসির সমর্থকরা তাঁকে লক্ষ্য করে চোর, চোর ধ্বনি দিয়ে তুমুল চিৎকার শুরু করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ভাই এর বৌ স্থানীয় কাউন্সিলর কাজরী ব্যানার্জির নেতৃত্বে জয় বাংলা বলে উচ্চ স্বরে ধ্বনি দেন। তাঁদের তুমুল বিক্ষোভে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় জয় হিন্দ ভবন সংলগ্ন এলাকা। এক সময় শুভেন্দু অধিকারীকে দৌড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, শুভেন্দু অধিকারী ফোন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকেন। তাঁর অনুগামীরাও তারস্বরে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেন।
উভয় পক্ষের ধ্বনি, পালটা ধ্বনিতে রীতিমত উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখা দেয়। দ্রুত
কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে আসেন, সঙ্গে কলকাতা পুলিশের বাহিনীও। উত্তেজিত টিএমসি সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠি চালায়, তাড়া করে তাঁদের হঠিয়ে দেয়। উত্তেজনা চলতেই থাকে। একটু পিছিয়ে গিয়ে ফের শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তুমুল ধ্বনি দেন। অনেক চেষ্টায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কাজরী ব্যানার্জি অভিযোগ করেন, শুভেন্দু অধিকারী ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। উনি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডেকে এনে তাঁদের দিয়ে লাঠি মারিয়েছেন। এতে তাঁদের বেশ কয়েকজন আহত হন।
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তিনি ভবানীপুরে বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন। মুখ্যমন্ত্রী হারবেন বলে জোর গলায় দাবি করেন।
তাঁকে যেভাবে বিক্ষোভ দেখানো হোল, এতে ক্ষুব্ধ তিনি।

Be the first to comment