রোজদিন ডেস্ক: কর্মরত শিক্ষক দের টেট পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা নিয়ে শীর্ষ আদালতের রায়ে শিক্ষক মহলে আবার তীব্র উদ্বেগের ছায়া ঘনিয়েছে। শীর্ষ আদালত এই টেট দেওয়ার সময় সীমা ২০৩৮ সালের আগস্ট মাস অবধি বাড়িয়েছে। কিন্তু এই রাজ্য সহ সারা দেশের শিক্ষক রাই এর বিরোধী। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আগেই সারা দেশে ৪৫ টি পিটিশান দায়ের হয়।
রাজ্যের দুই বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা কিংকর অধিকারী ও আনন্দ হান্ডা পৃথকভাবে এই রায়ের বিরোধিতা করেছেন। রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতাসীন হলে টেট সমস্যার সমাধান হবে বলে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আশ্বাস দিয়েছিলেন।
বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে কার্যকরী ভূমিকা নেওয়ার দাবি জানান।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী ও পৃথকভাবে কেন্দ্র, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী কে এই নিয়ে যথাযথ ভূমিকা পালনের দাবি জানান।
নন টেট শিক্ষকদের টেট দিতে হলে এই রাজ্য সহ সারা দেশের ৯০ লক্ষ শিক্ষক ই সমস্যায় পড়বেন বলে আশঙ্কা। এমন হলে শিক্ষা ক্ষেত্রে সামগ্রিক ভাবে চাপ পড়ে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেবে বলে তাঁরা মনে করেন।
কিংকর অধিকারী এই সমস্যা সমাধানে কেন্দ্রীয় সরকার কে অবিলমে অধ্যাদেশ জারির দাবি করেন।
শিক্ষক দের দাবি পত্র ঃ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে শুক্রবার শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ নবান্নে নতুন সরকার কে স্মারকলিপি পেশ করেন। টেট সমস্যার সমাধান সহ শিক্ষক দের রাজ্য স্বাস্থ্য প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা, সব শুন্য পদে নিয়োগ সহ এক গুচ্ছ দাবি পেশ করা হয়েছে বলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানিয়েছেন।

Be the first to comment