রোজদিন ডেস্ক : সাহস থাকলে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করুক কেন্দ্র। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী র উদ্দেশ্যে এই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। কিন্তু উনি তা করবেন না, এপস্টিন ফাইল, আদানির বিরুদ্ধে আমেরিকায় মামলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রচন্ড চাপে আছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ভারত – আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রথম কিষাণ মহাচৌপালে এই সব বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী কে নিশানা করে রাহুল গান্ধী আরও বলেন, নিজের ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক ভবিষ্যত বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী আমেরিকার কাছে দেশকে বিক্রি করেছেন, দেশের সব তথ্য ওদের হাতে তুলে দিয়েছেন, কৃষক, বস্ত্র, পোশাক ক্ষেত্রের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করেছেন। কিন্তু কোন শক্তি ওঁকে বাঁচাতে পারবে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়ে দেন।লোকসভায় প্রাক্তন সেনা প্রধান এম এম নারাভানের লেখা তাঁকে পড়তে না দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হঠাৎ সংসদ থেকে চলে যান,তারপর রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প কে ফোন করে বলেন,যে কোন শর্তেই তিনি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে রাজী। মার্কিন রাষ্ট্রপতিও সমাজমাধ্যমে জানিয়ে দেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করেছিলেন ও চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজী বলে জানিয়েছেন।” কিন্তু চার মাস ধরে যা নিয়ে টালবাহানা চলছিল, রাজনাথ সিং, শিবরাজ সিং চৌহান, নীতিন গড়করি প্রমুখ মন্ত্রীদেরও কিছু না জানিয়ে কেন তিনি এই চুক্তি করলেন? কেনই বা এই নিয়ে নীরব আছেন বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বলেন, আসলে এপস্টিন ফাইলে হরদীপ পুরী, অনিল আম্বানির নাম থাকায় তা নিয়ে ভীত উনি, এখনও ওই ফাইলের সব কিছু প্রকাশিত হয় নি। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের মত বিশাল জনবহুল দেশের সব তথ্য উনি আমেরিকাকে দিয়েছেন বলে তোপ দাগেন রাহুল গান্ধী। কেন এই বাণিজ্য চুক্তিতে কি আছে তা সামনে আনা হচ্ছে না?
জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করে তাঁকে মহম্মদ বিন তুঘলক, হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেন।
এই বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে কংগ্রেস দেশের বিভিন্ন জায়গায় কৃষক সমাবেশ করবে। মঙ্গলবার তার প্রথম দিন ছিল।

Be the first to comment