রোজদিন ডেস্ক :
আর জি কর হাসপাতালে লিফট আটকে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ ফরেনসিক দল সেখানে যান। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন।
শুক্রবার ভোরের এই মর্মান্তিক ঘটনার জেরে শনিবার ও আর জি করের পরিস্থিতি থমথমে ছিল। এই ঘটনায় ধৃত পাঁচ
জনকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁদের ২৭ মার্চ অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
ভয়ংকর মর্মান্তিক এই বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও চাপানউতর চলে।
বিরোধীদের অভিযোগ, যে সরকার লিফট চালাতে পারে না, তারা কি করে সরকার চালাবে!
কংগ্রেসের সুমন রায় চৌধুরী, বামপন্থী চিকিৎসক নেতা মানস গুমটা, বিজেপির দেবজিৎ সরকার পৃথক ভাবে প্রায় একই কথা বলেন। হাসপাতাল, স্বাস্থ্য দফতরের অন্দরে ঘুণ ধরেছে বলে সরব হন।
প্রশ্ন ওঠে, লিফট যদি খারাপ ছিল, তবে তা চালু রাখা হয়েছিল কেন? খারাপ লিফট হঠাৎ চালুই বা হল কিভাবে? তদন্তকারীরা এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। গ্রেফতার হওয়া তিন লিফট চালক, দুই নিরাপত্তা কর্মীকে জেরা করে এই সব জানার চেষ্টা হচ্ছে।
লিফটে আটকে পরা অসহায় পরিবারটির আর্ত চিৎকার, তাঁদের পরিবারের আকুতি মিনতি সত্বেও কেন তাঁদের উদ্ধারে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হোল না, এই বিষয়টি ভাবাচ্ছে সব মহল কেই।
পরিবারের অভিযোগ, এটি তো নিছক দুর্ঘটনা নয়, খুনই। কারণ, জরুরি ভিত্তিতে তাঁদের উদ্ধারে কেন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়নি, এই প্রশ্ন সবার মনে।

Be the first to comment