রোজদিন ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আজ ও বহু জায়গায় ভোটকর্মীরা ভোট দিতে পারেননি। তাঁদের অনেককেই চরম হেনস্থা, অব্যবস্থায় পড়তে হয়েছে বলে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চর (ভোটকর্মী শাখা) অভিযোগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ থাকা সত্বেও অব্যবস্থা এড়ানো যায়নি। প্রতি ৫০-৬০ জন প্রতি একটি ভোটদানের কাউন্টার থাকলেও চূড়ান্ত অব্যবস্থা ছিল। প্রশিক্ষণের পর এই গরমে ৩/৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অনেককে ভোট দিতে হয়েছে।সব থেকে অদ্ভুত ব্যাপার, অসংখ্য ভোট কর্মী দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়ানোর পর জানতে পারেন,তাঁদের নামে পোস্টাল ব্যালট ইস্যুই হয়নি। এর ফলে ফেসিলিয়েসন কেন্দ্রে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। ভোট কর্মীরা উলুবেড়িয়া কলেজের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকাকে তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছেন। ক্ষুব্ধ কিংকর অধিকারী বলেন, তাঁরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারলে ভোট কর্মীর দায়িত্ব বয়কট করতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে ভোট কর্মীদের পোস্টাল ব্যালট পাওয়া, ভোট দেওয়া নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ আসছে। নির্বাচন কমিশন এর সময়সীমা বাড়ালেও সমস্যা মেটেনি।
কিংকর অধিকারী আরও জানান, প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালনের নিয়ম আছে। তাঁরা অনেক জায়গায় এই সংক্রান্ত বইও পাননি।তবু তাঁদের ওপর মানসিক চাপ দেওয়া হচ্ছে। দিতে হচ্ছে মুচলেকাও। কিংকর অধিকারী অভিযোগ করেন, ভোটের আগের দিন ডিসি গেলে বই মেলার কথা বলা হয়েছে। তখন এত চাপের মধ্যে তাঁরা কিভাবে এই সব বই পড়বেন তিনি প্রশ্ন তোলেন। নিজেদের সব দায় প্রিসাইডিং অফিসারদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার কৌশলের তীব্র বিরোধিতা করেন। কমিশনের এই সব নিদান প্রত্যাহারের দাবি জানান।

Be the first to comment