রোজদিন ডেস্ক : তাঁদের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বিজেপি এলে মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া বন্ধ করে দেবে। “মাছে ভাতে বাঙালি”-র সেই দুর্দশার কল্পিত ছবি জনমানসে এঁকে দিতে প্রচেষ্টার কসুর করছে না শাসক দল।।
আজ মেদিনীপুরের বেলদার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে উঠে এলো মাছের কথা। তাঁর আশ্বাস, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্য মাছ উৎপাদনে প্রথম হবে। কেন্দ্র মৎস্যজীবীদের জন্য কল্যাণ প্রকল্প করলেও রাজ্য এখানে তা রূপায়িত করতে দেয়নি। তা রূপায়িত হলে মৎস্যজীবীরা অনেক সুবিধা পেতেন।
এর আগে ঝাড়্গ্রামেও জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। শাসক তৃণমূল এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, লুটের অভিযোগ আনেন।
রাজ্যের মানুষকে বলেন, কেন্দ্র সোলার প্রকল্পের জন্য ৮০ হাজার টাকা দিলেও এখানে সরকার তা রূপায়িত করতে দেয়নি। এটি হলে তাঁদের আর বিদ্যুৎ বিলের খরচ লাগবে না৷
এখানে বিদ্যুৎ না থাকলেও বিদ্যুৎ বিল চলে আসে! রাজ্যে টিএমসি-র সিন্ডিকেট সব নষ্ট করেছে। বিজেপি এলে সব কিছুর হিসাব হবে। মন্ত্রী, শান্ত্রী কাউকে ছাড়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন।
তাঁদের সরকার আদিবাসীদের জন্য যে সব কল্যাণ প্রকল্প করেছে বলেন।
আজ দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গল মহল এলাকায় একের পর এক জনসভায় টিএমসি-কে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি।
রাজ্যে একবার বিজেপি সরকারকে সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন।
টিএমসি-র নির্মম সরকার কে বিদায় দিয়ে বিজেপি সরকার আসছে বলে দৃঢ় ভাবে জানান।
কাঠ ফাটা রোদ্দুর উপেক্ষা করে তাঁর প্রতিটি সভায় ভিড় উপছে পড়ে। মহিলা, যুবদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।
এই সব দেখে খুশি প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি সভা থেকেই তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে টিএমসি মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিলে বাধা দিয়েছে বলে তোপ দাগেন।
মেদিনীপুরের বেলদায় যখন তিনি যান, তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। তবু আমজনতার উচ্ছাস, উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে।
প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মোবাইলের ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালতে বলেন। সেই বিচ্ছুরিত আলো দেখিয়ে তিনি বলেন, টিএমসি-র অন্ধকার শাসনের অবসান হয়ে এই রকম আলোকিত হয়ে উঠুক রাজ্য! উপস্থিত জনতা বিপুল হর্ষধ্বনি করে তাঁর কথায় সমর্থন করেন।
রাজ্যে সরকার পালটানো দরকার বলেও সব সভাতেই আহবান জানান তিনি।
রাজ্যে ভাতাও থাকবে, কর্মসংস্থানও হবে বলে আশ্বাস দেন।

Be the first to comment