রাজ্যের পরিবর্তনের সুগন্ধ অনুভূত হচ্ছে চারদিকে : প্রধানমন্ত্রী

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : 
রাজ্যের হাওয়ায় নতুন সুগন্ধ এখন, যেন রাজ্য পরাধীনতার শিকল ভেঙে স্বাধীন হয়েছে। রাজ্যের মানুষের চেহারায় চমক ইত্যাদি দেখতে তিনি এসেছেন বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। এই পরিবর্তন দেখেই বোঝা যাচ্ছে।
স্বচ্ছতার জন্য সবাইকে অভিনন্দন। এবার পশ্চিমবঙ্গ দিবসের নতুন মাত্রা এনেছে।
এই ঐতিহাসিক তারিখ রাজ্যের প্রেরণা। প্রথমে বামপন্থী, পরে তৃণমূল যে ক্ষতি করে গেছে, তারপর একাধিক প্রকল্পে রাজ্যের উন্নয়ন, বিকাশ হবে। আজ পিএম কিষাণ নিধি সম্মান দেওয়া হচ্ছে। দেশের ৯ কোটি কৃষককে ১৯ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হোল।
ছেচল্লিশের ভয়াবহ দাঙ্গার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সব সত্বেও বাংলা নিজের অস্মিতা ভুলতে দেয়নি। হাজার বছরের পুরানো সংস্কৃতি, সভ্যতা রক্ষা করেছে। রাজ্যের ইতিহাসকে প্রণাম করেন তিনি।

স্বাধীনতার পর এখানে অনেক অত্যাচার হয়েছে। রাজ্যকে ভারতে রাখতে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি আন্দোলন করেন। কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা বিভাজনের পরের পরিস্থিতি জেনেও কিছু করেনি।
রাজ্যের সব বিখ্যাত মনীষীদের উল্লেখ করেন তিনি। যে রাজ্যের আগে যাওয়ার কথা, প্রাক্তন সরকারের আমলে তা পিছনে চলে গেছে। এতদিনের কুশাসনে রাজ্যের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ডবল ইঞ্জিন সরকার উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে। আজ সারা দেশ দেখছে নতুন সরকার কেমন কাজ করছে।
নির্বাচনে প্রচারে এসে তিনি আয়ুস্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনার কথা বলেছিলেন, তা শুরু হয়েছে৷ জল জীবন মিশনের চুক্তি তে পানীয় জল সব ঘরে পৌঁছবে। সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে যাতায়াত, সরকারি চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি হয়েছে।

রাজ্যে আইনের শাসন হয়েছে। যারা লুটেছিল, টাকা ফেরত দিচ্ছে, সিন্ডিকেট রাজত্ব শেষ। প্রাক্তন তৃণমূল সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী।
নতুন সরকার এসে বিএসএফ কে জমি দিয়েছে, মেট্রো রেলের সমস্যা মিটেছে। ডিজিটাল কৃষি তে জুড়ছে রাজ্য, পিএম ফসল বিমায় যুক্ত হচ্ছে রাজ্য।

“এবার বাংলা থামবে না, ইতিহাস গড়বে ” বাংলায় দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, রাজ্যের পুরোনো গৌরব ফিরছে। আগের আমলে শিল্প চলে গেছিল। এখন রাজ্যে শিল্প আসছে।ভারত ২০৪৭ এ বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগোচ্ছে। এতে রাজ্যের প্রগতি হবে৷ বিকাশের প্রথম শর্ত হোল শান্তি, সৌহার্দ্য, সামাজিক সুরক্ষা। তাঁরা সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে চলছেন।

মাটি রক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে। এই বঙ্গ দিবস নতুন যুগের সূচনা করবে৷
দীর্ঘ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি সুভাষ বসু, রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুনীতি চ্যাটার্জি, বঙ্কিমচন্দ্র প্রমুখ সব মনীষীদের কথা স্মরণ করেন। বারবার জোর দেন এই রাজ্যের মেধা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, লড়াকু মানসিকতার।
আগের আমলে রাজ্য সব দিকে পিছনের দিকে চলে গেছিল বলে তোপ দাগেন।

এখন কাটমানি, সিন্ডিকেটের দিন শেষ, অনেকে জেলে গেছে বলেন।
আজ এই দিনে নয়া ইতিহাস শুরু হোল বলে জানান৷ কংগ্রেসকে তোপ দেগে বলেন, তারা ষড়যন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করেছিল। এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তাঁর অবদানের কথা বলেন৷ আগামীকাল যোগ দিবস পালনের কথা বলেন।
উপস্থিত বিশাল জনতাকে মোবাইল ফোনের আলো জ্বালতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। একাধিকবার বন্দে ধ্বনি দেন।
বর্ণময় প্রথমে বন্দে মাতরম ও পরে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে এই বর্ণময় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*