প্রতিবেদন : সদ্য বিধানসভা ভোটে রাজ্যে ধরাশায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। হারের পর বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট লুট-সহ একাধিক অভিযোগ করেছে তারা। কিন্তু এত অভিযোগ থাকলেও তদন্ত চেয়ে আদালতের দরজায় মাত্র ৮ জন পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী! যা নিয়েই এখন প্রশ্নের মুখে দল। তবে কি তাদের অভিযোগ, পুরোটাই আইওয়াশ? নাকি লোকদেখানো? উঠছে প্রশ্ন। কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়া তথ্য বলছে, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বসাকুল্যে মাত্র ৮টি ইলেকশন পিটিশন দায়ের হয়েছে তৃণমূলের তরফে। অথচ তাদের দলে পরাজিত প্রার্থীর সংখ্যা ২১১। যার মানে ২০৩ জন মুখে অভিযোগ করলেও তা নিয়ে আইনি পথে এগোতে চাননি। এই ৮টি মামলার মধ্যে একটি খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলা। এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছাড়া তৃণমূলের তরফে হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন গোপীবল্লভপুরের প্রার্থী অজিত মাহাতো, বিনপুরের প্রার্থী বিরবাহা হাঁসদা, ঝাড়গ্রামের প্রার্থী মঙ্গল সরেন এবং মানবাজারের প্রার্থী সন্ধ্যারানি টুডু। ৩১৬ ভোটে হেরেছেন রাজারহাট-নিউটাউনের প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনিও হাইকোর্টে মামলা করেছেন। পটাশপুরের পীযূষকান্তি পন্ডাও মামলা করেছেন। উল্টোদিকে, ৪০১ ভোটে হেরেও আদালত মুখো হচ্ছেন না সাতগাছিয়ার প্রার্থী সোমাশ্রী বেতাল। একই ভাবে জাঙ্গিপাড়ায় ৮৬২ ভোটে পরাজিত স্নেহাশিস চক্রবর্তী, রায়নায় ৮৩৪ ভোটে পরাজিত মন্দিরা দলুই, ১৬৫১ ভোটে পরাজিত কাশীপুর-বেলগাছিয়ার অতীন ঘোষরা মামলার পথে হাঁটছেন না, যা অনেককে অবাক করেছে।

Be the first to comment