INDEPENDENCE DAY : তৃণমূলের অস্থায়ী দফতরে সাত সকালে আচমকা কুণাল, তারপর…

Spread the love

প্রতিবেদন: মাঝখানে ওঠা দেওয়াল কি এবার ভাঙতে চলেছে? তৃণমূলের কংগ্রেসের হাঁড়ি কি আবার এক হবে? কয়েকদিন আগে কাঁচড়াপাড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর আক্রমণের প্রতিবাদে বিধানসভা চত্বরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিবাদ কর্মসূচি সেই সম্ভাবনা কিছুটা উসকে দিয়েছিল। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে চমকে দিয়েছিলেন ঋতব্রত শিবিরে থাকা তিন বিদ্রোহী বিধায়ক, খালেক মোল্লা, তৌসিফুর রহমান ও বিভাস সর্দার। তিনজনই একবাক্যে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর আক্রমণ হয়েছে, তাই প্রতিবাদ করতে এসেছি। দরকারে আবার আসবো। কারণ, মমতাই আমাদের নেত্রী। মাঝে মাত্র কটা দিন। তারপর ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসের (INDEPENDENCE DAY) সকাল। ঠিক উল্টো ছবি ধরা পড়ল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের দখলে থাকা মেট্রোপলিটনের তৃণমূল দফতরে। দেখা গেল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ রায়, স্নেহাশিস চক্রবর্তীদের সামনে স্বাধীনতার শহিদদের স্মরণ করছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তারপর তাদের অনুরোধে বক্তব্যও রাখেন কুণাল। এই ছবি সামনে আসতেই ফের গুঞ্জন শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে।

এদিন সকালে প্রথামাফিক তপসিয়ার তৃণমূল দফতরের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কালীঘাট তৃণমূলের নেতা, কর্মীরা। ছিলেন সাংসদ দোলা সেন, বিধায়ক কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, উপাসনা চৌধুরী-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ। এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। এরপরই তপসিয়ার পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে কুণাল সটান হাজির হন মেট্রোপলিটনে তৃণমূলের অস্থায়ী দফতরে। যে অফিস থেকে গত প্রায় তিন বছর দলের কাজকর্ম পরিচালিত হত। সেখানে তাঁকে দেখে প্রথমে কিছুটা হকচকিয়ে যান তাঁর প্রাক্তন সহযোদ্ধারা। কিন্তু সঙ্গেই সঙ্গেই পরিস্থিতি তারা স্বাভাবিক করে নেন। ডেকে নেন কুণালকে। কুণালও গিয়ে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানান। তারপর তাদের অনুরোধে বক্তব্যও রাখেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে। একদিকে দেশ আজ স্বাধীনতা দিবস পালন করছে, আর বিজেপি মানুষের আর্থিক স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে। সুভাসচন্দ্র বোসের অসম্মানের প্রতিবাদ করে অনন্ত মহারাজের গ্রেফতারির দাবিও তোলেন। পরে, কুণাল বলেন, আগে থেকে কিছু ঠিক ছিল না। আমি তপসিয়ার অফিস থেকে ফেরার পথে দেখলাম এই অফিসটা খোলা। স্বাধীনতা দিবস পালিত হচ্ছে। পতাকা তোলা হয়েছে। ওটা আমার বিধানসভা এলাকার মধ্যেই পড়ে। তাই স্থানীয় বিধায়ক হিসেবে স্বাধীনতা দিবস পালন অনুষ্ঠানে যেতেই পারি। তবে কুণালের এই সাফাইতে জল্পনা কিন্তু থামছে না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*