প্রতিবেদন: নজিরবিহীন কাণ্ড। নিজের খাসতালুকেই আক্রান্ত হলেন একদা “বীরভূমের বাঘ” তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বুধবার বিকেলে ৩/৪ জন যুবক কাপড়ে মুখ ঢেকে হাতে গাছের ভাঙা ডাল নিয়ে আচমকা তাঁর অফিসে ঢুকে পড়ে। এরপর তাঁর সামনেই মিনিট দশেক ধরে চলে তাণ্ডব। অফিসের চেয়ার, টেবিল, এসি ভাঙচুর করে ওই দূষ্কৃতীরা। লাঠি হাতে ঢুকে তাঁরা অনুব্রতর সামনেই ভাঙচুর চালায়, এবং প্রকাশ্যে শাসানি দেয়। দূষ্কৃতীদের তাণ্ডব বসে বসে দেখেন একদা বীরভূমের দোর্দন্ডপ্রতাপশালী নেতা কেষ্ট। তাঁর সঙ্গে থাকা গুটিকয়েক সঙ্গীরাও কেউ বাধা দিতে যায়নি। দূষ্কৃতীদের রক্তচক্ষুর সামনে তারা অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। লাঠির আঘাতে অনুব্রতর টেবিলের কাঁচ ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। কাঁচের টুকরোয় চোখে সামান্য আঘাতও পান তৃণমূল নেতা। তিনি দু’একবার কিছু বলার চেষ্টা করলেও দূষ্কৃতীদের থামানো যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ আসে। কিন্তু হামলাকারীরা কেউ পালায়নি। প্রায় বিনা বাধায় তাঁরা পুলিশ ভ্যানে উঠে যায়। ভ্যানে ওঠার আগে ওই যুবকরা জয় শ্রীরাম শ্লোগানও দেয়। গ্রেফতারের পর সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে তারা অনুব্রতর বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, গত ১৫ বছর ধরে আমাদের সব শেষ করে দেওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনা নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

Be the first to comment