মহালয়ার দিনই তর্পণ করতে গিয়ে গঙ্গায় ডুবে মৃত্যু হলো ২ জনের; পড়ুন!

Spread the love
পিতৃপক্ষের অবসান, দেবী পক্ষের শুরু। মহালয়ার এই দিনেই পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এ বার গুপ্ত প্রেস এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত দুই মতেই মহালয়া একটু বেলায় শুরু। তাই অন্যবারের মতো গঙ্গার ঘাট গুলিতে সাত সকালে ভিড় না জমলেও বেলা বাড়তেই ঢল নামে মানুষের। আর এতেই ঘটে গেল বিপত্তি। হুগলিতে দু’জায়গায় গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন দু’জন। উদ্ধার হলো একজনের মৃতদেহ। নিখোঁজ এক।
বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ উত্তরপাড়া থানা এলাকার কোতরং বটতলা ঘাটে তর্পণের জন্য আসেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক সুবোধ যশ। স্নান করতে নেমে তলিয়ে যান গঙ্গায়। খবর পেয়ে ডুবুরি এনে তল্লাশিতে নামে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। বেলা সওয়া এগারোটা নাগাদ অধ্যাপকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
শেওড়াফুলিতেও ঘটে গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা। নিস্তারিণী কালীবাড়ি ঘাটে তারকেশ্বর থেকে তর্পণ করতে এসেছিলেন ব্যবসায়ী সন্দীপ সাঁতরা। স্নান করতে নেমে তিনিও তলিয়ে যান এ দিন। বেলা বারোটা পর্যন্ত তাঁর খোঁজ মেলেনি বলে জানিয়েছে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ।
অন্যদিকে উত্তর চব্বিশ পরগণার পানিহাটি বারোমন্দির ঘাটে তর্পণ করতে এসেছিলেন সোদপুর সরকারি আবাসনে বাসিন্দা বছর ৪৫-এর অলকা দাস। তিনিও তলিয়ে যাচ্ছিলেন গঙ্গায়। তাঁকে উদ্ধার করেন হ্যাম রেডিওর রাজ্য সম্পাদক অম্বরীশ নাগ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অলকাদেবীকে ডুবতে দেখেই অম্বরীশবাবু স্ত্রীর হাতে মানিব্যাগ, ঘড়ি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন গঙ্গায়। তুলে আনেন অলকাদেবীকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘাটে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তাঁরা সবাই খবরের কাগজ পড়তে ব্যস্ত ছিলেন। পানিহাটির প্রায় উল্টোদিকে উত্তরপাড়ায় বিপত্তি ঘটলেও অম্বরীশবাবুর জন্য প্রাণে বাঁচলেন অলকাদেবী।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*