ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার একমাত্র বিপ্লবী মুখ তিনিই। তাই কোনওকালেই ট্রাম্পের পছন্দের তালিকায় তাঁকে দেখা যায়নি।সেই বিদ্রোহী নিকি হ্যালে এবার পদত্যাগ করলেন। নিকিই ভারতীয় বংশোদ্ভুত প্রথম মহিলা যিনি ট্রাম্পের ক্যাবিনেটে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে ছিলেন। ইউনাইটেড নেশন-এর আমেরিকান রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত নিকি হ্যালে। মঙ্গলবার নিকির পদত্যাগপত্র গ্রহণও করে নেয় হোয়াইট হাউস।
ট্রাম্প নিয়ে চলা বিভিন্ন বিতর্ককে সমর্থন করে এসেছেন নিকি। ২০১৭ সালে যৌন হেনস্থার যে অভিয়োগ প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ওঠে, সেই প্রসঙ্গে অভিযোগকারী মহিলার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন নিকি। দাবি তোলেন, মহিলার কথা একবার শোনার। অবশ্য ট্রাম্প মন্ত্রিসভা বিষয়টিকে একেবারেই ভালো চোখে দেখেনি। স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করে সেদিন বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল নিকিকে।
পরেও ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতি সহ একাধিক বিষয়ে স্বাধীন মন্তব্য করতে দ্বিধা করেননি নিকি। একবার একটি আলোচনা সভায় নিকি জানান, সমালোচকদের প্রত্যেক কথার জবাব দিলে আরও একটি বিশ্ব যুদ্ধের পথ প্রশস্ত করবেন ট্রাম্প।
অবশ্য, মঙ্গলবার তাঁর পদত্যাগ পত্র হোয়াইট হাউস গ্রহণ করার পরই পরিস্থিতির বদল ঘটে। পদত্যাগের পরই ট্রাম্প ও নিকি একে অপরের প্রশংসা করলেন। খুব নিষ্ঠার সঙ্গে এতদিন কাজ করে এসেছেন নিকি হ্যালে, জানালেন ট্রাম্প। ২০২০ সালের ভোটে প্রেসিডেন্টের হয়ে প্রচার নামার কথা বললেন নিকিও।

Be the first to comment