প্রতিবেদন: ‘ডিজে বাজবে’, মন্তব্য নিয়ে সিআইডির কাছে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার মামলায় মঙ্গলবার কোনও সাময়িক রক্ষাকবচ পেলেন না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্টে মামলা থেকে সরে গেলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। ফলে মামলা এখন চলে গেল প্রধান বিচারপতির কাছে। কবে কোন বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে, সবটাই অনিশ্চিত। এদিকে আজ মঙ্গলবারই বিধাননগর আদালতে গিয়ে অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার কথা ছিল। সেটাও আপাতত হচ্ছে না বলেই খবর। সবমিলিয়ে চরম আইনি জটিলতায় পড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর খারিজের মামলা ইতিমধ্যেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে বিচারাধীন। সেই কারণেই একই বিষয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করতে চাননি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই মামলার মূল বিষয় অন্য বেঞ্চে বিচারাধীন থাকায় সেখানে গিয়ে আপনারা নিজেদের বক্তব্য জানান।এদিনের শুনানিতে বিচারপতি ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, তদন্তকারী সংস্থা কী ভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, সেটা তাদের ব্যাপার। আদালত কেন সেই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে যাবে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কণ্ঠস্বর তাঁর মক্কেলেরই। আর সেটা তিনি স্বীকারও করেছেন। সেই যুক্তির ভিত্তিতে তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ পাল্টা প্রশ্ন তোলেন৷ তবে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে আর আপত্তি কেন? বিচারপতি বলেন, কেউ যদি খুন করে স্বীকার করে, তা হলে কি পুলিশ আইন মেনে তদন্ত করবে না? আদালতের যুক্তি কোনও ব্যক্তি মৌখিকভাবে কিছু স্বীকার করলেই তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয় না। তদন্তকারী সংস্থা নিজস্ব পদ্ধতি অনুযায়ী তথ্য যাচাই করতে পারে।

Be the first to comment