রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আজও গেলেন না SDPO অফিসে। তার বদলে তার ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা গগন সরকার এলেন। তিনি বললেন, অনুব্রত অসুস্থ বিছানায় শুয়ে আছেন। তাঁর ফোন কলকে বললেন AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মাধ্যমে করা হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল দলের অনুগত সৈনিক তিনি মমতা ব্যানার্জির সৈনিক। তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে বললেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই তৃণমূলনেতা।
প্রসঙ্গত, বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল দেওয়া এবং অশ্লীল কথাবার্তা বলার অভিযোগ উঠেছে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে। সেই অডিও ভাইরাল হতেই রাজ্য-রাজনীতিতে পড়ে যায় হইচই । তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তাঁকে এই ঘটনায় ৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছিল। অনুব্রত অবশ্য অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষমা চেয়ে নেন। তবে পুলিশও তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। সেই প্রেক্ষিতেই শনিবার থানায় তলব করা হয়েছিল অনুব্রতকে। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে অনুব্রত যাননি।
সময় চেয়ে নেন। পুলিশও ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে বলে রবিবার ১১টার মধ্যে দেখা করতে হবে তাঁকে। কিন্তু ১টা বেজে যাওয়ার পরেও অনুব্রতর দেখা মিলল না,এসডিপিও অফিসে। বোঝাই যাচ্ছে পুলিশি তলব এড়াচ্ছেন তিনি। তার হয়ে কথা বলছেন তার আইনজীবী।জমা দিলেন সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল সার্টিফিকেট।
অন্যদিকে বীরভূমের আরেক তৃণমূল নেতা বিক্রমজিৎ সাউ অনুব্রতর পাশে দাঁড়িয়ে আইসি লিটন হালদারের তীব্র সমালোচনা করলেন। শুধু সমালোচনা বললে কম বলা হয়। বীরভূম জেলার টিএমসিপি সভাপতি বিক্রমজিৎ সাউ যে ভাষায় পুলিশকে আক্রমণ করলেন তা অনুব্রতর আক্রমণের পদ্ধতিকে মনে করিয়ে দেয়। দুজনেরই আক্রমণের তীর বোলপুরের আইসি লিটন হালদারের দিকে।

Be the first to comment