আদালতে যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়লেন ইডির হাতে ধৃত ব্যবসায়ী জয় কামদার

ভর্তি করা হল হাসপাতালে

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : একাধিক জমি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি ও আর্থিক দুর্নীতি অভিযোগে ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে রবিবার সকাল থেকে তল্লাশি চালায় ইডি। দীর্ঘ তল্লাশির পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতারির পর কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আপাতত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিকে আদালতে তার জেল হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে ইডি। সেই সঙ্গে হাসপাতালে থাকাকাকীন তাঁর ক্লোজ প্রক্সিমিটি ভিজিলান্সও চেয়েছে ইডি। সেটা তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও জানিয়ে দিয়েছে। হাসপাতালে তাঁরা নিজেদের অফিসার রাখতে চেয়েছে। কারণ, তাঁদের দাবি, অভিযুক্তর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য প্রমাণ রয়েছে। কিছু নথি থেকে একাধিক সন্দেহভাজনের সঙ্গে ধৃতের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে, এমনই দাবি ইডির। অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে পালটা বলেন, আমরা জামিনের আবেদন করছি না। কিন্তু ভিজিলান্স ঘরের মধ্যে না বাইরে সেটা স্পষ্ট নয়। কারণ ইডি ক্লোজ প্রক্সিমিটি ভিজিলান্স চেয়েছে। সেটা স্পষ্ট করুক আগে। বিচারক জানান, আরজি করে চিকিৎসা চলুক। ইডির নজরদারিতে থাকবেন অভিযুক্ত। উপযুক্ত সময়ে ইডি তাকে কোর্টে পেশ করবে। সম্ভব না হলে মেডিক্যাল রিপোর্ট পেশ করতে হবে। গ্রেফতারির পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন ধৃত জয়। এর পর তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভর্তি করা হয়। আদালতে পেশ করতে না পারায় ইডির তরফে এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ধৃত ব্যবসায়ীর জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন নজরদারির জন্য দু’জন জওয়ান রাখার আবেদন জানায় তারা।

তার আগে রবিবার সাতসকালে বেহালায় ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। কয়েকদিন আগে এই বাড়ি থেকেই ইডি ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল। যেদিন এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়, সেদিন সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল অস্ত্র। এদিন জয় কামদারের বাড়ির পাশাপাশি স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও ইডি হানা দেয়।

জানা গিয়েছে, গ্রেফতারির পর থেকে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন জয় কামদার। এদিন আদালতের ইডির তরফে বলা হয়, “আমরা গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই অসুস্থতার জন্য আদালতে পেশ করা গেল না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, তাতে হেফাজতে নিয়ে জেরা প্রয়োজন। একইসঙ্গে ইডির তরফে বলা হয়, ধৃত ব্যবসায়ী জেরায় মুখ খোলেননি। কিন্তু, ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স থেকে অন্যান্য নথিতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগ পাওয়া যাচ্ছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*