রোজদিন ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক নির্বাচন কমিশন ফ্রিজ করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষত বিভাজিত এই দলের প্রার্থীরা আসন্ন উপ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র পেশ ও করেছেন। এখন তাঁরা কি প্রতীক নিয়ে লড়বেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। মমতাপন্থী তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ। এর বিরুদ্ধে তাঁরা আইনি পথে যাওয়ার কথা ভাবছেন।।
রাজ্যের বিজেপি শিবির অবশ্য এই সিদ্ধান্ত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল বলে মনে করে।
জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। দলের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল একে অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করে বলেন, কমিশন যে শাসক দলের ( বিজেপি) হাতের পুতুল মাত্র, এই ঘটনায় তা ফের প্রমাণিত হোল। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার কে তীব্র কটাক্ষে বিঁধে বলেন,প্রধানমন্ত্রী র জন্মদিনে এই সিদ্ধান্ত ওঁর বেশি রাতের উপহার! নির্বাচন কমিশন যারাই বিজেপি র বিরোধিতা করে, তাদের ধ্বংস করে গণতন্ত্র কে আঘাত হানে বলে কংগ্রেস মনে করে। তাঁরা মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীকে দলের সাবেক প্রতীক ঘাসের ওপর জোড়াফুল দেওয়ার দাবি করেছেন।
সি পিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এই বিষয়ে প্রশ্নে বলেন, তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠীর কথা জানা যাচ্ছে। কেউ কালিঘাট, কেউ নবান্ন, কেউ দিল্লি পন্থী! কিন্তু ঘটনা হোল ওই দলের কেউ ই বিরোধী দলের ভূমিকায় নেই।আর এস এস বরাবর তৃণমূল কে সহায়তা করেছে। তৃণমূল ই রাজ্যে বিজেপি কে সাবালক হতে সাহায্য করেছে বলে সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ করেন। আর এস এসের নির্দেশেই তৃণমূল বিরোধী দলের জায়গা থেকে সরে গেছে। একমাত্র তাঁরা ও বামপন্থী রাই বিজেপি র আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়ছে বলে তিনি দাবি করেন।
আঠাশ বছর আগে তৈরি হওয়া তৃণমূল রাজ্যে পালাবদলের পর যেভাবে বিভাজিত হয়েছে, এতে রাজনৈতিক মহল বিস্মিত।

Be the first to comment