রোজদিন ডেস্ক : মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধের পারদ ক্রমেই চড়ছে। দুবাই ও কাতারে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইরান। ৯টি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রর হামলা হয়েছে। তিন দেশে বন্ধ হয়েছে মার্কিন দূতাবাস। হরমুজ প্রণালী দিয়ে চিন, রাশিয়ার জাহাজ ছাড়া অন্য দেশের জাহাজ গেলে ছাড়া হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
আমেরিকা মধ্য প্রাচ্যের ১৪টি দেশ ও অঞ্চল থেকে তাদের নাগরিকদের সরে যেতে বলেছে। কিভাবে, কোথায় তাঁরা যাবেন, তা নিয়ে কোন দিশা দেয়নি মার্কিন প্রশাসন।
ইরানকে আক্রমণের প্রেক্ষিতে আমেরিকার অভ্যন্তরেও ক্ষোভ বাড়ছে। ইরানের প্রত্যাঘাতে প্রাণ গেছে বেশ কয়েকজন মার্কিনির।
আমেরিকা -ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণে ইরানে মৃত্যুর সংখ্যা আটশোর বেশি।। মুর্হুমুহু আক্রমণে পর্যুদস্ত ইরানের স্বাভাবিক জনজীবন।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের এখন কিছুই নেই। ওরা কথা বলতে চায়। কিন্তু তিনি তা চান না, অনেক দেরি হয়ে গেছে বলে হুমকি দেন ট্রাম্প। অন্যদিকে রাশিয়া, চিন, উত্তর কোরিয়ার সমর্থন মেলায় আরও বিধ্বংসী হচ্ছে ইরানও।
বিশেষত আয়াতোল্লা খোমেইনি নিহত হওয়ার পর তারা এখন মরিয়া হয়ে প্রত্যাঘাত হানছে।
ইতিমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের জন্যও উদ্বিগ্ন সরকার।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুদ্ধ যাতে না হয়, সেই মর্মে সংশ্লিষ্ট একাধিক দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের আর্জি জানিয়েছেন।
সংঘর্ষ বন্ধ রেখে আলোচনায় বসে সঙ্কট নিরসনে জোর দিচ্ছেন তিনি।

Be the first to comment