প্রতিবেদন: পুজোর আগেই নতুন শিল্পনীতি (New Industrial Policy) প্রকাশের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, নবান্নে শিল্প বিষয়ক মন্ত্রীগোষ্ঠীর বৈঠকে শিল্পনীতির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বন্ধ ও পড়ে থাকা কারখানার অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ করে নতুন শিল্প স্থাপনে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, শ্রম ও পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং এবং পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল-সহ শিল্প বিষয়ক মন্ত্রীগোষ্ঠীর সদস্যরা। আগামী সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা পেশ করা হবে। তার আগে মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল খসড়াটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পাঠাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন মিললেই তা মন্ত্রিসভার ছাড়পত্রের জন্য পেশ করা হবে।
নতুন শিল্পনীতিতে শিল্প স্থাপনের জন্য জমির সহজলভ্যতা, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন উৎসাহ ভাতার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিল্পপতিদের প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত অনুমোদনের লক্ষ্যে নতুন করে আরও কার্যকরি সিঙ্গল উইন্ডো ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল যথা, ব্যারাকপুর, নৈহাটি, টিটাগড়, আসানসোলের মত এলাকায় দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা কারখানার অতিরিক্ত জমির তালিকাও মন্ত্রীগোষ্ঠীর সামনে পেশ করা হয়। সেই জমি শিল্পের কাজে ব্যবহার করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Be the first to comment