এই লড়াই রাজনৈতিক নয়, এটা সংবিধান বাঁচানোর লড়াই; আটক হবার পর রাহুলের হুঙ্কার

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ‘ভোট চুরি’ প্রতিবাদে বিরোধীদের কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড দিল্লিতে। সোমবার সংসদ ভবন থেকে ৩০০ জন সাংসদ।প্ল্যাকার্ড হাতে ‘ভোট চুরি বন্ধ করো’, বিরোধী সাংসদদের মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে। সংসদ ভবন থেকে কিছু দূরে পুলিশ তাঁদের আটকায় ব্যারিকেডে। ব্যারিকেডে টপকে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল সংসদ মহুয়া মৈত্র, সুস্মিতা দেবরা । ব্যারিকেড টপকে চলে আসেন অখিলেশ যাদব। মিছিল আটকাতেই বাধা পেয়ে রাস্তায় বসে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

আটক হওয়ার পর রাহুল গান্ধী বলেন, “এই লড়াই রাজনৈতিক নয়। এটা সংবিধান বাঁচানোর লড়াই। এখানে কারও কথা বলার অধিকার নেই। কথা বললেই আটক। এদিনের মিছিলে ইন্ডিয়া ডোটের সদস্যদের একজোট হয়ে লড়াইয়ে অংশ নিতে দেখা গেল। সোমবার ইন্ডিয়া জোটের সংঘবদ্ধ লড়াই তা আগে রাজধানী দেখেনি।”

তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেন, ‘আজ বিরোধী জোটের প্রত্যেক সাংসদ নির্বাচন কমিশনের সামনে প্রতিবাদ করতে নেমেছেন। কারণ, যাঁরা দেশের নাগরিক, তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে কমিশন।’ তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, ভোট চুরি নিয়ে প্রত্যেক বার প্রমাণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কমিশন মানতে নারাজ। আমার এসআইআর মানব না। এটা প্রত্যাহার করতে হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পদ ছাড়তে হবে। আমাদের আন্দোলন চলবে যতদিন না সরকার আমাদের দাবি মানবেন ততদিন।

তৃণমূল সাংসদদের হাতে থাকা ব্যানার এবং পোস্টারে নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে লেখা , ‘চুপি চুপি ভোটের কারচুপি’। মিছিল থেকে স্লোগান ওঠে ‘গলি গলি মে শোর হ্যায়, নরেন্দ্র মোদি চোর হ্যায়’। আটক করে বড় বড় ৩টি বাসে তোলা হয় রাহুল, প্রিয়াঙ্কা, মহুয়া, ডেরেক, অখিলেশ, ডিম্পেল সহ একাধিক ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। পুলিশ আটক করে বাসে তোলার পরেই ধস্তাধস্তিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন মহুয়া মৈত্র, আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ। অসুস্থ হয়ে পড়েন এসপির এক সাংসদও।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*