রোজদিন ডেস্ক : যে তালিকা নিয়ে এত হইচই, এত লড়াই সেই তথ্যগত অসঙ্গতিপূর্ণ ভোটারের তালিকা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গেল। শুনানি ও স্ক্রুটিনির পর এমনই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার কমিশনের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানান হয়েছে, তথ্য সংক্রান্ত অসঙ্গতিপূর্ণ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লক্ষ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৪ লক্ষে। সেই সঙ্গে তা আরও কমার ইঙ্গিত দিয়েছে কমিশন।
এনুমারেশন পর্বের পর রাজ্যে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী বা এসআইআরের সময় কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে নাম ছিল ১ কোটি ৩৬ লক্ষের। তবে কমিশন জানাল সেই সংখ্যা কমেছে এখন হয়েছে মোট ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার। যার অর্থ কমেছে প্রায় ৪১ লক্ষ ৫১ হাজার। কারও নাম মেলেনি, কারও বাবার সঙ্গে তাঁর বয়সের পার্থক্য ১৫ বছর বা তারও কম, কারও আবার পার্থক্য ৫০ বছরেরও বেশি। কারও ক্ষেত্রে ঠাকুরদার বয়সের সঙ্গে অসঙ্গতি মিলেছিল। প্রথমে কমিশন জানায় এই সংখ্যা ছিল ১.৬৭ কোটি। পরে সেটা কমে দাঁড়ায় ১.৩৬ কোটিতে। এবার সেই সংখ্যা আরও কমল। সম্প্রতি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, কমিশন একই দিনে কীভাবে খসড়া তালিকা এবং তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ করল? কোন জাদুকাঠির ছোঁয়ায় কী ভাবে খসড়া তালিকা আর লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বার করল কমিশন? পরে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করে ওই তালিকা প্রকাশের দাবিও জানায় তৃণমূল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছেও একই দাবি জানায় তাঁরা।

Be the first to comment