ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। একে ভরা কোটাল, তারওপর পূর্ণিমা। তার মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড়। সব মিলিয়ে এক প্রবল অতিব শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু যতটা আশঙ্কা করা হয়েছিল ততটা শক্তি নিয়ে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারেনি যশ। ওড়িশার বালাসোর আর পশ্চিমবঙ্গের দীঘার মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে স্থলভাগে ঢোকার সময়ে ‘যশ’-এর গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৫০ কিলোমিটার।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে, অন্যান্য ঘূর্ণিঝড়ের তুলনায় সমুদ্রে অনেকটা কম সময় কাটিয়েছে যশ। খুব তাড়াতাড়ি স্থলভাগের সঙ্গে সংযোগ হয়ে গিয়েছে। তাই জন্য খুব একটা শক্তি সঞ্চয় করতে পারেনি। তাছাড়া যশ-এর বাইরের দিকের মেঘ খুব দ্রুত স্থলভাগের উপরে চলে এসেছে। তাই শক্তি বাড়ালেও ততটা আশা করা হয়েছিল ততটা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারেনি যশ।
কিন্তু এই শক্তি নিয়েই লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নদীর জল ঢুকে গ্রাস করে নিয়েছে একাধিক গ্রাম। ভেঙে গিয়েছে প্রচুর বাঁধ। শুধু মেদিনীপুরেই ৫০-এরও বেশি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকা থেকে ১৫ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Be the first to comment