রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- পরীক্ষা শুরুর ৭০ দিনের মাথায় মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ। এবারও কলকাতাকে টেক্কা জেলার। মেধাতালিকায় প্রথম দশে রাজ্যের ৬৬ পড়ুয়া। স্কুল থেকে আজই পাওয়া যাবে মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট। পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, এ বছর মাধ্যমে প্রথম দশে আছে ৬৬ জন। তবে প্রথম হয়েছে এক জনই। প্রথম দশে কলকাতার একজন।
প্রথম হয়েছে রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুলের ছাত্রী অদৃত সরকার। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর – ৬৯৬।
এ বছর মাধ্যমিকে দ্বিতীয় স্থানে আছে দু’জন। মালদহের রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অনুভব বিশ্বাস (৬৯৪) এবং বাঁকুড়া বিষ্ণুপুর হাইস্কুলেরসৌম্য পাল (৬৯৪)।
মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থানে বাঁকুড়ার ঈশানী চক্রবর্তী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। মাধ্যমিকে এ বছর চতুর্থ স্থানে রয়েছে দু’জন। পূর্ব বর্ধমানের মহম্মদ সেলিম এবং পূর্ব মেদিনীপুরের সুপ্রতিক মান্নার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২।
এ বছর মাধ্যমিকে পঞ্চম হয়েছে চার জন। তাদের মধ্যে হুগলি থেকেই রয়েছে তিন জন— সিঞ্চন নন্দী, মহম্মদ আসিফ এবং দীপ্তজিৎ ঘোষ। এ ছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোমতীর্থ করণও পঞ্চম হয়েছে। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১।
এ বছর মাধ্যমিকে ষষ্ঠ হয়েছে পাঁচ জন। তাদের মধ্যে আলিপুরদুয়ারের অউনচ দে। বাঁকুড়ার দুজন জ্যোতি প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রানিল মাসান্তা, উত্তর ২৪ পরগনার টাকির অঙ্কন মণ্ডল, এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার অভ্রদীপ মন্ডল। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০।
এ বছর মাধ্যমিকে সপ্তম হয়েছে পাঁচ জন। আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটা হাই স্কুলের ছাত্র দেবার্ঘ দাস। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারাম হাই স্কুলের অঙ্কন বসাক। বাঁকুড়ার বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন হাই স্কুলের অরিত্র দে। বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী দেবাদৃতা চক্রবর্তী। পূর্ব বর্ধমানের আমরারগড় হাই স্কুলের সৌরিন রায়। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯।
অষ্টম স্থানে আছে ১৬ জন। একজন কলকাতার ছাত্রীও রয়েছে। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা গার্লস স্কুলের অবন্তিকা রায়। এছাড়াও আছে তুফানগঞ্জের নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের অনির্বাণ দেবনাথ, রায়গঞ্জের সারদা বিদ্যামন্দিরের সত্যম সাহা, জয়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আসিফ মেহবুব, টার্গেট পয়েন্ট (আর) স্কুল উচ্চ বিদ্যালয়ের মোঃ ইনজামাম উল হক, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের সৃজন প্রামাণিক, রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অরিত্র সাহা, বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের শুভ্রা সিংহমহাপাত্র, রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনের অরিজিৎ মণ্ডল এবং স্পন্দন মৌলিক, নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুলের শ্রীজয়ী ঘোষ, বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবন গার্লস হাই স্কুলের পাপড়ি মণ্ডল, কংসাবতী শিশু বিদ্যালয়ের সৌপ্তিক মুখোপাধ্যায়, বেলদা প্রভাতী বালিকা বিদ্যাপীঠের উদিতা রায়, মনসুকা লক্ষ্মীনারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়ের অরিত্র সাঁতরা, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের পুষ্পক রত্নম। সকলেই পেয়েছে ৬৮৮। এছাড়াও, নবম স্থানে ১৪ জন এবং দশম স্থানে ১৬ জন পরীক্ষার্থীর নাম রয়েছে।
এ বছরও মাধ্যমিকে রয়েছে গ্রেড ব্যবস্থা। সর্বোচ্চ ‘এএ’ গ্রেড পেয়েছে ১০,৬৫৯ জন। ‘এ+’ গ্রেড পেয়েছে ২৫,৮২০ জন এবং ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে ৯১,২৩৭ জন।
পর্ষদ জানিয়েছে, এ বছর মাধ্যমিকের পাশের হার সর্বকালের সেরা— ৮৬.৫৬ শতাংশ।

Be the first to comment