পিয়ালী :
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। শতবর্ষ পার করা এই বিমানবন্দরের স্বর্ণোজ্জ্বল ইতিহাস। স্লোগান হলো কানেক্টিং ওয়ার্ল্ড উইথ দা সিটি অফ জয় । ১৯৯৫ সালে দমদম বিমানবন্দর নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের নামাঙ্কিত হয়। ক্রমশই সামনের দিকে এগোনো এই এয়ারপোর্টের পরিকল্পনা হলো বিশ্বের ক্রমবর্ধমান এয়ারপোর্ট ডেভেলপার অপারেটর এবং ইয়ার ন্যাভিগেশন সার্ভিস প্রোভাইডার হওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া স্লোগানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বিমানবন্দরের লক্ষ্য হল দেশের সর্বত্র বিমান সংযোগ বাড়ানো এবং অত্যাধুনিক দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাশ্রয়ী আধুনিক নিরাপদ এয়ারপোর্ট অপারেশন ও নেভিগেশন এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব দীর্ঘকালব্যাপী সংস্থা গড়ে তোলা।
১৫ জুন ২০২৬ এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পালন করবে যাত্রী সুবিধা দিবস। এই উপলক্ষে ১৩ জুন এয়ারপোর্ট ডিরেক্টর বিক্রম সিং একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
ইতিমধ্যেই তারা বৃক্ষরোপণ অনলাইন কুইজ কম্পিটিশন কেরিয়ার কাউন্সেলিং প্রোগ্রাম এবং ড্রইং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন।
১৫ তারিখ বন্দে মাতরম গানের মাধ্যমে তারা অনুষ্ঠান শুরু করবেন। তারপর বিমানের যাত্রীদের গোলাপ ফুল এবং তিলক দিয়ে স্বাগত জানানো হবে। একটি গাছ মায়ের নামে এই শ্লোগানে বিমান যাত্রীদের গাছের চারাও বিতরণ করা হবে। এছাড়াও যাত্রীদের চোখ পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। যাত্রী সুবিধায় যাদের বিশেষ ব্যতিক্রমী ভূমিকা আছে সেই রকম ব্যক্তি বিশেষে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

এছাড়াও এয়ারপোর্ট অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া বেশ কিছু অভিনব অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন। যেমন ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল উভয় বিমানের ক্ষুদে যাত্রীদের ড্রইং কম্পিটিশন বা বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। হবে, ছবির এক্সিবিশন। যাত্রীদের জন্য রাখা হয়েছে সেলফি পয়েন্ট তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ,সংগীত চর্চা করা হবে।
এদিন এয়ারপোর্ট ডিরেক্টর বিক্রম সিং প্রশ্নের উত্তরে বলেন যে আমাদের যাত্রী সংখ্যা গত এক দশকে ক্রমবর্ধমান। এটি ভারতের ব্যস্ততম এয়ারপোর্ট গুলির মধ্যে একটি। এয়ারপোর্টের সেফটি সিকিউরিটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি নিয়েও আলোকপাত করেন তিনি।
সম্পূর্ণ সৌরশক্তিতে চলা এয়ারপোর্টের ভেতরের ব্যাটারি চালিত গাড়িগুলিও পরিবেশ বান্ধব। ওয়াশরুম বা শৌচালয় অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রতি মাসে এগুলিকে গাড়ির মেন্টেনেন্স এর মতো ডিপ ক্লিনিং করা হয়।
কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় মসজিদ অনেকটা অসুবিধার সৃষ্টি বা বাধার সৃষ্টি করছে। এটিকে সরানো হবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে বিক্রম বাবু বলেন, এটা কেন্দ্রীয় স্তরে সিদ্ধান্ত হবে।

Be the first to comment