- ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাষা অধিকার মঞ্চ খুলে দিল সেনাবাহিনী।
- সেনার অতি সক্রিয়তা বললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।
- পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
- তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ২০০ অফিসার ও জওয়ান তাঁকে দেখে পালিয়ে যায়
- মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে ঘটনাস্থলে আসেন অরূপ বিশ্বাস ফিরহাদ হাকিম দেবাশীষ কুমার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও সিপি মনোজ ভার্মা।
- মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা আমাদের মাইকের কানেকশন কেটে দিয়েছে, মঞ্চ খুলে দিয়েছে, আর্মির বিরুদ্ধে আমার কোন ক্ষোভ নেই। বিজেপির কথায় আর্মিকে চলতে হয়।
- তিনি বলেন ভারতীয় সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। তারা বিজেপির কথায় এসব করেছেন, দিল্লিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায় এসব করেছেন।
- আর্মির পেছনে ছুপা রুস্তম বিজেপি পার্টি বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
- আর্মিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
- এটা অনৈতিক কাজ অগণতান্ত্রিক কাজ বললেন মমতা।
- আর্মিকে মিসইউজ করলে এভাবে মানুষের অধিকার কোথায় থাকবে? প্রশ্ন তোলেন মমতা।
- ভাষা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলছে চলবে। এই জায়গা থেকে উঠিয়ে দিলে, আমরা রানী রাসমণি রোডে কালকের থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ করব বলেন মমতা।
- কাল দুপুর দুটো থেকে তিনটে ব্লকে ব্লকে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিক্ষোভ কর্মসূচি হবে।
- মমতা বলেন ওরা বিজেপির মুখপাত্র হতে পারে, আমরা নই। আমাদের স্টেজ ভেঙে দিয়ে আমাদের খোলা আকাশের নিচে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমরা দুঃখিত শোকাহত মর্মাহত।
- ভারতীয় সেনার স্থানীয় মিলিটারি কর্তৃপক্ষ কলকাতার তরফ থেকে বলা হয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ময়দানে দুদিনের জন্য সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়। তিন দিনের জন্য অনুমতি নিতে হলে তাকে দিল্লিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমতি পেতে হয়। এক্ষেত্রে দুদিনের অনুমতি ছিল, কিন্তু মঞ্চ প্রায় এক মাস ধরে এখানে তৈরি ছিল। অনেকবার সাবধান করা সত্ত্বেও সংগঠকরা মঞ্চ খুলে নেননি, বারবার বলা সত্ত্বেও তারা কর্ণপাত করেননি। তারপর কলকাতা পুলিশকে জানানো হয় এবং সেনার দ্বারা মঞ্চ তুলে দেওয়া হয়।

Be the first to comment