রোজদিন ডেস্ক : এনসিআরটি-র অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য বই-এ বিচার বিভাগের দুর্নীতি, পাহাড় প্রমাণ মামলা ইত্যাদি বিষয় অন্তরভুক্ত করায় ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত। আজ শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ কেন্দ্রকে অনলাইনে এই বই-এর পিডিএফ সংস্করণ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সংক্রান্ত বিষয়ে বিতর্কিত অধ্যায় থাকা বইগুলি নিষিদ্ধ করার ও নির্দেশ দিয়েছেন। কে বা কারা এর নেপথ্যে আছে তা তদন্ত করার নির্দেশ ও দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
এই ঘটনায় অস্বস্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে অসম্মান করার কোন উদ্দেশ্য তাঁদের নেই। এর তদন্ত হবে। দোষীরা শাস্তি পাবে বলে তিনি জানিয়ে দেন।
সূত্রের খবর, এনসিআরটির এই বই-এ এই প্রথম বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি, এর দীর্ঘ সুত্রিতা নিয়ে দুটি অধ্যায় রাখা হয়েছে। যা নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্কর ঝড় ওঠে। শীর্ষ আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা করে। ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি বলেন, গুলি ছোঁড়া হয়েছে। বিচার ব্যবস্থা রক্তাক্ত হয়েছে। এর তদন্ত হওয়া জরুরি। যতদিন না পর্যন্ত তিনি এই তদন্তে সন্তুষ্ট হচ্ছেন, ততদিন শুনানি চলবে। আগামী ১১ মার্চ ফের এই মামলার শুনানি হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এই রাজ্য-সহ সারা দেশেই বিচার বিভাগের বিভিন্ন রায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারগুলি প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে। বিচার ব্যবস্থার ওপর আমজনতার আস্থাও বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতে বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি সরকারি শিক্ষা পর্ষদের অনুমোদিত পাঠ্য বই-এ যুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন মহল বিস্মিত। কেন্দ্রও রীতিমত অস্বস্তিতে।

Be the first to comment