রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে গত দশ বছরে তিনশো বিজেপি কর্মী সমর্থক খুন হয়েছেন বলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আজ দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে আজ ব্রিগেডে এই কথা জানান তিনি। বলেন, এই বছর টিএমসি-র বিসর্জন। রাজ্যে অনুপ্রবেশ নিয়ে সিপিএম কে বিঁধে তিনি বলেন, এই ব্রিগেডে আগে সিপিএমের সমাবেশ ডাক দিত, দিল্লি চলো। এখন বলে মুর্শিদাবাদ চলো।
এই রাজ্য কোন ধর্মশালা নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। বলেন, অনুপ্রবেশের জন্য রাজ্যের সীমাঞ্চল বদলে গেছে। রাজ্যে এবার ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে বলে দাবি করেন।
বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ব্রিগেডের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, এই সভা থেকে পরিবর্তনের সঙ্কল্প নিতে হবে। বিজেপি রাজ্যের হৃতগৌরব ফেরাবে। এখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ঢালাও প্রশংসা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে আজ বিজেপির রাজ্য স্তরের বিশিষ্ট নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার প্রমুখ ছিলেন।
সমাবেশে ভাষণ দিয়ে ফেরার সময় প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে উপস্থিত প্রায় সবার সঙ্গেই সৌজন্য বিনিময় করেন।
প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁকে হাসিমুখে কিছু বলতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী রসিকতা করে তাঁকে বলেন, বিয়ে করে মিষ্টিও খাওয়ালেন না!! এতে আপ্লুত দিলীপ ঘোষ।।
টিএমসি-র প্রাক্তন মন্ত্রী বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী যে দলে বিশেষ গুরুত্ব পান, তা পরিস্কার।
আজ ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর দুদিকে শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য বসেন। তাঁদের সঙ্গে বাক্যালাপ করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।
সমাবেশের সঞ্চালনা করেন প্রাক্তন সাংবাদিক জগন্নাথ চ্যাটার্জি।
আজ ব্রিগেডের রঙ ছিল গেরুয়া।
সুজনের অভিযোগ : প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চের আগে অন্য মঞ্চে সরকারি প্রকল্পর ঘোষণা করায় সমালোচনা করলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
কিভাবে ব্রিগেডে এই সরকারি ঘোষণা হয় তিনি প্রশ্ন তোলেন।

Be the first to comment