রোজদিন ডেস্ক :
রাজ্যে কিশোরীদের এইচপিভি টিকাকরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ বিধাননগর হাসপাতালে এই কর্মসূচি হয়। তিন মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে সাড়ে সাত লক্ষ কিশোরীকে টিকাদান করা হবে। গত এক বছর ধরে কেন্দ্র এই কর্মসূচি চালু করতে চাইলেও প্রাক্তন সরকার তা চালু করতে চায়নি বলে মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল জানান।
এই টিকা নিলে ভবিষ্যতে সারভাইকাল ক্যান্সার থেকে মেয়েরা সুরক্ষিত থাকবে। বিনামূল্যে এই টিকাকরণ কেন প্রাক্তন সরকার দেয়নি তা নিয়ে উপস্থিত বক্তারা বিস্ময় প্রকাশ করেন।
সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার। এই টিকায় কিশোরীরা সুরক্ষিত থাকবে।
আজ মুখ্যমন্ত্রী ১০০ শয্যার একটি ওয়ার্ড উদ্বোধন করেন।
দুই কিশোরী উপভোক্তাকে এই টিকাকরণের শংসাপত্র তুলে দেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী এই চিকিৎসায় যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। রাজ্য সরকারের এই অনুষ্ঠানে সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যর উপস্থিতির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে রেফার করা না হয় তার ব্যবস্থা হচ্ছে৷
এবার জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনে ২১০৩ কোটি টাকা মিলবে।
১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবার, ৬ কোটির বেশি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। পরিযায়ী শ্রমিক সহ সবাই এর সুবিধা পাবেন। সারা দেশের যে কোন হাসপাতালে এই প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার সুবিধা মিলবে।
স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আরও চিকিৎসক সহ নার্স, কর্মী নিয়োগ করা হবে। উত্তরবঙ্গে একটি এইমস করার জন্য জমি দেখা হচ্ছে। সব জেলায় মেডিকেল কলেজ হবে। দালাল চক্র থাকলে সরকারকে বলার জন্য মুখ্যমন্ত্রী জোরের সঙ্গে বলেন। স্বাস্থ্য ভবনে ২৪ ঘন্টার তদারকি ব্যবস্থা হচ্ছে। সেখানে পেশাদারি সংস্থা এই কাজ করবে।

অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে কাউকে বিচলিত, বিভ্রান্ত হতে হবে না বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
আর্থিক শৃঙ্খলা মেনে এই সরকার কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে দুই বিশিষ্ট চিকিৎসক বিধায়ক শারদ্বত মুখার্জি, ইন্দ্রনীল খান সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Be the first to comment