রোজদিন ডেস্ক :
দীর্ঘ আট বছর পর কাকদ্বীপের সিপিএম সমর্থক দম্পতি দেবু দাস, উষা দাসের নৃশংস হত্যায় অভিযুক্ত দশ জনকে আজ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকালই নিহত দম্পতির পুত্র আইনজীবী দীপঙ্কর দাস সুবিচারের আর্জি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিধান সভা ভবনে দেখা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস মেলার পরদিনই দশ জনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগে কাকদ্বীপের বুদাখালি গ্রামে বাড়িতে আগুন দিয়ে এই সিপিএম সমর্থক দম্পতিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। তাঁদের তরুণ পুত্র দীপঙ্কর বাড়ি ফেরার পথে এই ভয়ঙ্কর ঘটনার খবর পান। অভিযোগের তির ছিল তৃণমূলের দিকে। প্রথমে স্থানীয় থানা এই ঘটনার অভিযোগ নিতে চায়নি। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে সিট গঠন করলেও একজনও অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি।
এমনকি তৎকালীন প্রশাসন নিহত দম্পতির দেহ তাঁদের পুত্রকে পর্যন্ত দিতে চায়নি। ময়না তদন্তের পর মেডিকেল কলেজ পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল। আইনি লড়াই-এর পর দীপঙ্কর মা-বাবার দেহ পান। সেই তরুণ এখন আইনজীবী। মা বাবার নৃশংস হত্যার বিচারের আর্জিতে গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। ছিলেন আনিস খানের বাবা, ছোট্ট তমান্নার মা প্রমুখ।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আশ্বাসের পর আজ কাকদ্বীপে দশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কালিগঞ্জে তমান্না খুনের দুই অভিযুক্তও আজ ধরা পড়েছে।
আনিস খানের পরিবারেরও আশা, বর্তমান সরকারের আমলে তাঁরা বিচার পাবেন।

Be the first to comment