প্রতিবেদন: নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করা ঋতব্রত শিবিরের জবাব দেওয়ার সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তিন তিনবার কমিশন তাদের সময়সীমা বাড়িয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কমিশন কোনও জবাব দিচ্ছে না। এই নিয়ে কমিশনকে চিঠি দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন, সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেন কমিশন কোনও জবাব দিচ্ছে না? তিনি লিখেছেন, কমিশনের দেওয়া ডেডলাইন শেষ। দলবদলুদের জবাব কোথায়? বিদ্রোহী শিবির তথা ঋতব্রত শিবিরের দাবি ছিল তারাই আসল তৃণমূল। তার সপক্ষে তথ্য এবং যুক্তি দেওয়া হলে সেটা কমিশন জানাক। বিদ্রোহী ঋতব্রত শিবির কমিশনে চিঠি দিয়ে দাবি করেছিল তারাই আসল তৃণমূল। কমিশন এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের কাছ থেকে তথ্য চায়। কমিশনের বেধে দেওয়া সময়সীমা ৬ জুলাইয়ে মধ্যেই তৃণমূলের তরফে তথ্য-সহ চিঠি দেওয়া হয়। ঋতব্রত শিবির জবাব না দিয়ে ১০ জুলাই পর্যন্ত সময় চায়। পরে তারা ফের আরও সময় চায়। তাদের দাবি মেনে কমিশন আরও ১৫ দিন সময় দেয়। কিন্তু সেই ১৫ দিনের সময়সীমা ২৫ জুলাইও অতিক্রান্ত হয়েছে। আজ ২৯ জুলাই, বুধবার। কমিশনকে দেওয়া ঋত শিবিরের কোনও তথ্যসহ চিঠি আমাদের কাছে আসেনি, রীতি অনুযায়ী কমিশনও কিছু জানায়নি। তাই ধরে নিতে হয়, তারা কোনও চিঠি এখনও দেয়নি। এই অবস্থায় তৃণমূলনেত্রীর প্রশ্ন, তিনবার সময় দিয়েও বিদ্রোহী শিবির তাদের তথ্য-সহ জবাব দিতেই পারেনি। অথচ তৃণমূল কংগ্রেস তথ্য জমা দিয়েছে সঠিক সময়ে। চিঠির উত্তর না দেওয়ার অর্থ, দলবদলুদের কাছে কোনও জবাব নেই। নেত্রীর অভিযোগ, বারবার সময় দিয়ে বিদ্রোহী শিবিরকে কমিশন আসলে ভুয়ো তথ্য বানানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। কারণ তাদের দাবির পিছনে যে কোনও যুক্তি এবং তথ্য ছিল না, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিদ্রোহী শিবিরকে আর সময় না দিয়ে দ্রুত তদন্ত শেষ করে মতামত জানিয়ে দিক নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এরপরেও যদি তাদের আরও সময় দেওয়া হয় তাহলে কমিশনের উপর মানুষ আস্থা হারাবে, যা মোটেই কাম্য নয়।

Be the first to comment