FAKE CALL CENTRE: ভুয়ো কলসেন্টার খুলে ঋণের টোপ দিয়ে চলছিল লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানো, পর্দাফাঁস করল পুলিশ

Spread the love

প্রতিবেদন: ভুয়ো কলসেন্টার খুলে ফোনে দেওয়া হত বিপুল অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার টোপ। টোপ গিললেই প্রসেসিং ফি-সহ নানা অজুহাতে চাওয়া শুরু হত টাকা। বেশ কিছু টাকা হাতিয়ে নিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হত যোগাযোগ। এভাবেই চলছিল প্রতারণা চক্র। এই কায়দাতেই বেলেঘাটার এক সাইকেল ব্যবসায়ীকে ৮০ লক্ষ টাকা ঋণের টোপ দিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল প্রতারকরা। অভিযোগ পেয়ে মধ‌্যমগ্রামের দোলতলায় হানা দিয়ে ওই ভুয়ো কল সেন্টারের পর্দাফাঁস করল বেলেঘাটা থানা। কল সেন্টারের মালিক-সহ চার জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। তারা হল ধ্রুবজ্যোতি কর কলসেন্টারের মালিক ও তার সহযোগী রণজিৎ হালদার। বাকি দু’জন জিয়াউল মোল্লা ও বাপন বিশ্বাস, যারা মোটা টাকার বিনিময়ে নিজেদের ব্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্ট ভাড়া দিয়েছিল জালিয়াতদের। জানা গিয়েছে, বেলেঘাটার ওই ব‌্যবসায়ীর টাকার প্রয়োজন ছিল। তাঁকে অত‌্যন্ত কম সুদে ৮০ লক্ষ টাকা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দেওয়া হয়। তিনি রাজি হতে প্রথমে প্রসেসিং ফি হিসাবে এক লক্ষ টাকা, এরপর কর বাবদ ও অন‌্যান‌্য কারণ দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। বদলে তাঁকে অনলাইনে বেশ কিছু ভুয়ো নথি পাঠায় জালিয়াতরা। তিনি লোভে পড়ে ৪০ লক্ষ টাকা জালিয়াতদের অ‌্যাকাউন্টে দেন। মাস দু’য়েক ধরে এই ভাবে টাকা নেওয়ার পর আচমকা যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় জালিয়াতরা। প্রতারিত হয়েছেন, বুঝতে পেরে থানায় অভিযোগ জানান ওই ব্যবসায়ী।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*