রোজদিন ডেস্ক : বাংলায় সুপার ইমারজেন্সি চলছে। রাজনৈতিক ভাবে না পেরে বিজেপি এখন নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে বাংলা দখল করতে চাইছে। এ দেশে কোনও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। মানুষ তাহলে ন্যায় চাইতে কোথায় যাবে? এরা সুপ্রিম কোর্টের কথা শুনছে না। তাই আমরা এখন গণতন্ত্রের আর এক স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমের কাছে আমাদের সমস্যা বলতে এসেছি। আর কতদিন এই মানুষগুলো বিচার চেয়ে চেয়ে ঘুরে বেড়াবে? কোথাও পাবে বিচার? এই ভাষাতেই মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি ও কমিশনকে এক যোগে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকের আগে গতকাল সোমবার এসআইআর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন তিনি। আর মঙ্গলবার বঙ্গ ভবনে তাঁদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর পাশে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনও এসআইআর-এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির গায়ে ছিল আগের মতই কালো চাদর। সাংবাদিক বৈঠক তিনি আরও বলেন, ২০০২ সালে শেষবার এসআইআর হয়েছিল। এখন আবার হচ্ছে। কেন নির্বাচনের আগে করা হচ্ছে এসআইআর?
আমি ছ’বার সিইসিকে চিঠি লিখেছি। আমার দলের প্রতিনিধি দল বারবার গিয়েছে। আদালতে এখন মামলা চলছে। ওটা নিয়ে তাই এখন কিছু বলবো না।
এখানে যারা বসে আছে, তারা সবাই এসআইআরের জেরে বিপর্যস্ত। দিল্লির সংবাদমাধ্যমের কোনও ধারণাই নেই বাংলায় কী হচ্ছে। সত্যিটা প্রকাশ হয় না। বিরোধীদের কণ্ঠস্বর শোনা হয় না।
তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষের ভোটাধিকার কাড়া হচ্ছে। শুধু ভবানীপুরেই প্রথমে চল্লিশ হাজার নাম বাদ দিয়েছে। লজিক্যাল মিসম্যাচ বলে যেখানে তৃণমূলের আসন, সেখানে বেশি নাম বাদ দিয়েছে।
প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে মানুষের নাম বাদ দিচ্ছে। অমর্ত্য সেনকে নোটিস দিয়েছে। বাবা মা-র বয়সের ফারাকের জন্য তলব করা হচ্ছে। জয় গোস্বামীকেও নোটিস দিয়েছে। বেআইনি ভাবে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে বলেও।ফের তোপ দাগেন মমতা। রোল অবজার্ভারদের এখানে কোনও ভূমিকা নেই।।কমিশন নয়, পিছন থেকে তাঁদের বিজেপিই নিয়োগ করেছে। রিটায়ার্ড অফিসার সীমা খান্নাকে ফের এদিন নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, তিনিই সব নাম বাদ দিচ্ছেন। ইআরও-র থেকে কোনওরকম সুপারিশ না নিয়ে নাম বাদ দিচ্ছেন তিনি। এভাবে চললে মানুষ কোথায় যাবে?

Be the first to comment