রোজদিন ডেস্ক : চিনের সহায়তায় বাংলাদেশে এক হাজার শয্যার হাসপাতাল হচ্ছে। নাম দেওয়া হচ্ছে মৈত্রী হাসপাতাল। বাংলাদেশের নীলফামারি সদরে এই সর্বাধুনিক হাসপাতাল হলে রোগীদের ভারত-সহ অন্যত্র চিকিৎসার জন্য যাওয়া কমবে বলে বর্তমান সরকারের আশা।
প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস রবিবার এই প্রকল্প অনুমোদন করেন। জানান, প্রস্তাবিত এই মৈত্রী হাসপাতাল রূপায়িত হলে ঢাকা, রঙপুরের হাসপাতালগুলির ওপর চাপও কমবে।
সূত্রের খবর, গত বছর মার্চে তাঁর চিন সফরকালে মহম্মদ ইউনুস বাংলাদেশে এক উন্নত সর্বাধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের জন্য ওই দেশের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং-কে অনুরোধ করেছিলেন। এরপর চিন এই সহায়তার উদ্যোগ নেয়।
নীলফামারিতে দশতলা এই হাসপাতাল ভবনে সব রকম আধুনিক ও বিশেষ ধরণের চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকবে। চলতি মাসেই এর কাজ শুরু হওয়ার কথা। তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে। খরচ ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৭৯ কোটি টাকা দেবে। বাকি খরচ দেবে চিন। সেখানে ৮৯৩ জন চিকিৎসক, ১১৯৭ জন নার্স, ১৪১০ জন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা আছে।
মহম্মদ ইউনুসের দাবি, এই হাসপাতাল রূপায়িত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরিসেবা কেন্দ্র হবে। নেপাল, ভুটান-সহ পড়শি দেশের রোগীরাও সেখানে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পাবেন বলে তাঁর আশা।

Be the first to comment