রোজদিন ডেস্ক : বৃহস্পতিবার কালীঘাটের বাড়িতে দলের সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই লোকসভায় দলের চিফ হুইপের পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই দায়িত্বে ফেরেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সমাজ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বারাসতের সাংসদ। তবে তিনি কেন, বা কী কারণে ওই পোস্ট করেছেন তা উল্লেখ করেননি। তবে আশা করা যায় পদ খোয়ানোর সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি সাংসদ। পোস্টে তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ সংগ্রামের অতীত মনে করিয়ে চারবারের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার লেখেন, ‘৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরষ্কৃত হলাম।’ কোনও বিষয় উল্লেখ না করলেও তিনি যে ওই পুরস্কারের প্রসঙ্গ তুলে দলকেই কটাক্ষ করেছেন, সেটা সবাই বুঝতে পারছে। এর আগে ভোটে ভরাডুবির পর দলের ‘নিস্ক্রিয়তা’ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় দলকে কটাক্ষ করেছিলেন সাংসদের ছেলেও। এবার সাংসদ নিজেই কটাক্ষ করলেন খোদ নেত্রীকে। ছাব্বিশের ভোটে উত্তর ২৪ পরগনার মতো শক্ত গড়েও তৃণমূল কংগ্রেসের ফল খুব খারাপ হয়েছে। ৩৩টির মধ্যে মাত্র ৯টি আসন জুটেছে। বারাসত সাংগঠনিক জেলার বেশিরভাগ আসনেই বিজেপি জয়ী হয়েছে। এমনকী বারাসতেও হেরেছেন সব্যসাচী দত্ত। এরপরই নেত্রী বারাসতের সাংসদের ডানা ছেঁটে দেন। যা কোনওভাবেই হজম হয়নি প্রবীণ সাংসদের।

Be the first to comment