হাতে গোনা সঙ্গীদের নিয়ে ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভা, হারের পর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচিতে তৃণমূলনেত্রী

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : পাশে হাতে গোনা কয়েকজন বিশ্বস্ত পুরনো সঙ্গী। গোটা ছ’য়েক বিধায়ক ও গোটা পাঁচেক সাংসদ। তাদের নিয়েই ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভা সারলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার পূর্ব ঘোষণা মতো প্রতিবাদ সভা করল তৃণমূল। ভোটে হারার পর এটাই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচি। পুলিশি অনুমতি না থাকায় ছিল না মঞ্চ। দেওয়া হয়নি মাইকের অনুমতিও। তবুও দমানো যায়নি তৃণমূল সুপ্রিমোকে। পাশে কল্যাণ, দোলা, মদন, বৈশ্বানর, নয়না, চন্দ্রিমা, শোভনদেব ও অশোক দেবদের মতো কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়েই হুঙ্কার দিলেন। বললেন বিজেপিকে হটাবোও। এভাবে আমাকে আটকানো যাবে না। ভোটের পর থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। বললেন, যদি বেঁচে থাকি, বিজেপিকে হটিয়েই যাবো আমি। মমতার অভিযোগ, দিল্লি থেকে বিজেপি সরকার কলকাঠি নেড়ে তৃণমূলকে ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। তবে সেই চেষ্টা সফল হবে না। সব চক্রান্ত বানচাল করে দেবো। বেআইনি ভাবে আমাদের বিধায়ক, কাউন্সিলর, দলীয় প্রার্থীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। কিচ্ছু করতে পারবে না। আপনারা ভয় পাবেন না। এদিন সভায় আসার আগে ময়দানে প্রথমে গান্ধি মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। তারপর আম্বেদকরের মূর্তিতেও শ্রদ্ধা জানান। এরপর আসেন সভাস্থলে। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে ধরনার অনুমতি না দেওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন মমতা। তাঁর অভিযোগ, আমাদের এখানে ধরনায় মাইকের অনুমতি দেওয়া হয়নি। হ্যান্ড মাইক নিয়ে বলতে হচ্ছে। এ ভাবে আমাকে আটকাতে পারবে না। যেখানে পারব বসে পড়ব। বাবা সাহেব আম্বে়ডকরের মূর্তিতে মালা দিয়েছি। সংবিধান নিয়ে গিয়েছিলাম। মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শপথ নিলাম— এই অত্যাচার যত দিন চলছে, ততদিন মোকাবিলা করব। করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে। এদিনও ফের একবার ১৭৭টি আসনে ভোট লুট করে হারানোর অভিযোগ তোলেন তিনি। সরব হন হকার উচ্ছেদ নিয়েও।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*