শুক্রবার বিহারের গয়ায় এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী স্পষ্ট জানান, যারা জেলে যাবে, তারা পদে থাকতে পারবে না। পিএম-সিএম বিল নিয়ে বিহার বিধানসভা ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে পাশে বসিয়ে একথা জানিয়ে দেন মোদী। তিনি বলেন, “আজ এই আইনে যদি একজন সরকারি কর্মী দুর্নীতির অভিযোগে কয়েক ঘণ্টার জন্যও গ্রেফতার হন, তাহলে তাঁকে আপনিআপনিই সাসপেন্ড হতে হবে। প্রসঙ্গত, পিএম-সিএম বিল লোকসভায় পেশ করার পরে তা যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য চলে গিয়েছে। বিরোধী দলের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এই বিলের প্রতিবাদ করে কমিটিতে যাবে না।”
এদিন প্রধানমন্ত্রী জানান, “যেমন সরকারি অফিসার, বাবুলোগ বা যে কোনও কর্মী দুর্নীতি করলে তাঁর কর্মজীবন একেবারে মুছে যাবে। তেমনই কোনও মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী কি জেলে বসেও ক্ষমতার স্বাদ নিয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন, প্রশ্ন মোদীর। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম না করে মোদী আরও বলেন, আমরা দেখেছি যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী জেলের গারদের ভিতর বসে সরকারি ফাইলে সই করছেন। এটা যদি কোনও নেতার মনোভঙ্গি হয়, তাহলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কীভাবে চলবে?”
সংবিধানের ১৩০-তম সংশোধনী বিল নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী এক তিরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, আম আদমি পার্টির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও লালুপ্রসাদ যাদব এবং তাঁর পুত্রকে তেজস্বী যাদবকে বেঁধেন। যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতেই হয়, তাহলে তার পিছনে যুক্তিসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়াও জরুরি। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কারও ছাড় পাওয়ার কথা নয়।

Be the first to comment