রোজদিন ডেস্ক : ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন পরিস্থিতি। কাজের চাপে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছেন একের পর বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওরা। এ রাজ্যে এর মধ্যেই ২ জন বিএলওর মৃত্যু হয়েছে। রাজস্থান, গুজরাত থেকেও বিএলওদের আত্মহত্যার খবর এসেছে। তালিকায় এবার জুড়ল আরও একটি নাম, রিঙ্কু তরফদার। নদিয়ার কৃষ্ণনগরের ষষ্ঠীতলার বাসিন্দা রিঙ্কু বিএলওর কাজের চাপকে দায়ী করে গিয়েছেন তাঁর লেখা সুইসাইড নোটে। শুক্রবার গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন রিঙ্কু তরফদার (৫১)। সুইসাইড নোটে তিনি লিখেছেন, বিএলও-র কাজ তুলতে না পারলে প্রশাসনিক চাপ আসবে। তা আমার পক্ষে নেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর মৃত্যুর জন্য নির্বাচন কমিশনকেও দায়ী করে গিয়েছেন রিঙ্কু। নদিয়ার চাপড়া থানা এলাকায় স্বামী বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পার্শ্বশিক্ষক ছিলেন রিঙ্কু। এলাকায় বিএলও-র দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। এদিন বাড়িতেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহের পাশ থেকে পাওয় সুইসাইড নোটে মেয়েদের তিনি লিখেছেন, আমার স্বামী, ছেলে, মেয়ে কেউ দায়ী নয়। ওরা আমাকে যথেষ্ট যত্নেই রাখে। আমার এই পরিণতির জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। আমি কোনও রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না। কিন্তু এই অমানুষিক কাজের চাপ আমি নিতে পারছি না।

Be the first to comment