বিদ্রোহীদের ভোটে পদ খোয়ালেন জেলা সভাধিপতি, নদীয়া জেলা পরিষদ হাতছাড়া হতে চলেছে তৃণমূলের

Spread the love

প্রতিবেদন: বিদ্রোহীদের আনা অনাস্থা ভোটে এবার পদ খোয়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাধিপতি। এর জেরে এবার নদীয়া জেলা পরিষদ হাতছাড়া হতে চলেছে তৃণমূলের। সূত্রের খবর, আপাতত জেলা পরিষদে প্রশাসক বসানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবারই তৃণমূলেরই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কয়েকজন মিলে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। সেই নিয়ে ভোটাভুটিতে হেরে গিয়ে নদিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ থেকে অপসারিত হলেন তারান্নুম সুলতানা মির। জেলা তৃণমূলের অন্দরে তিনি আবার কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ ও বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূলের আস্থাভাজন মহুয়া মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। আপাতত প্রশাসক বসানো হলেও পরে ফের নির্বাচন করে সভাধিপতি এবং সহ-সভাধিপতি নির্বাচিত করা হবে কি না, তা ঠিক করবে রাজ্য সরকার। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর থেকেই ক্রমশ রক্তক্ষরণ হচ্ছে তৃণমূলের। নদীয়া জেলার সভাধিপতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমেছিল। গত ১৫ জুন থেকে।তরান্নুমকে হঠাতে আসরে নামে বিদ্রোহীরা। মোট ৫২ আসন বিশিষ্ট নদিয়া জেলা পরিষদের তৃণমূলের ২৭ জন সদস্য একজোট হয়ে সভাধিপতি তারান্নুমের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের কমিশনারের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদের সভাকক্ষে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এই অনাস্থা প্রস্তাবের শুনানি ও ভোটাভুটি হয়। ভোটাভুটির সময় দেখা যায় অনাস্থার পক্ষে সমর্থনকারীর সংখ্যা ২৭ থেকে বেড়ে ৩১ হয়ে গিয়েছে। সভায় উপস্থিত মোট ৩৭ জন সদস্যের মধ্যে ৩১ জনই সভাধিপতির অপসারণের পক্ষে ভোট দেন। বিজেপির ৬ জন সদস্য সভায় থাকলেও ভোট দেননি। প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের কমিশনারের প্রতিনিধি হিসেবে পুরো প্রক্রিয়ার তদারক করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*