আজই বিধানসভায় জমা পড়ছে ‘নতুন তৃণমূল’-এর চিঠি, জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে, ড্যামেজ কন্ট্রোলে আসরে ‘পুরনো তৃণমূল’-ও

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : এক মাসের মধ্যে আরও এক রাজনৈতিক পালাবদলের সাক্ষী হতে চলেছে বাংলা। বুধবার সকাল থেকে রাজ্য রাজনীতিতে তুঙ্গে উঠেছে এই জল্পনা। টানটান উত্তেজনা বিধানসভা চত্বরে। শোনা যাচ্ছে নতুন করে আর কোনও ঘটনা না ঘটলে এদিনই ‘নতুন তৃণমূল’-এর তরফে বিধানসভায় চিঠি দিতে চলেছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাঁর সঙ্গে নাকি রয়েছেন ৫২ থেকে ৫৪ জন তৃণমূলের টিকিটে জেতা বিধায়ক। তারা বিধানসভায় নিজেদের আসল তৃণমূল বলেই দাবি করতে চলেছেন। তবে কোনও শিবির থেকেই এই খবরের কনফার্মেশন নেই। গতকাল মঙ্গলবার ঘন্টা দু’য়েক বিধানসভায় কাটিয়ে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখেন। তবে ঘটনার গতিপ্রকৃতির ওপর নজর রাখা একাংশের দাবি, তৃণমূলের অন্দরে চলা ঐতিহাসিক বিদ্রোহ আজ অফিশিয়ালি আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং শেষ মুহূর্তে কৌশল বদল না হলে, আজই বিধানসভার স্পিকারের কাছে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি বিধায়কের সই করা চিঠি পেশ করতে চলেছে বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী। চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দের নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে নতুন পরিষদীয় নেতা নির্বাচনের দাবি জানানো হতে পারে। এদিকে বসে নেই মমতা শিবিরও। কাল মঙ্গলবার নেত্রী ধরনা মঞ্চ থেকে বলেছেন, গোটা ঘটনার পিছনে কলকাঠি নাড়ছে বিজেপি নেতৃত্বই। তিনিও তাঁর দীর্ঘদিনের দিল্লির যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছেন। তবে এই নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কোনও কথা বলতে নারাজ। ঘটনার ওপর কড়া নজর রাখছে কংগ্রেস, সিপিআইএম-সহ অন্য বিরোধী দলগুলিও। তৃণমূল ভাঙলে রাজ্য রাজনীতির নতুন সমীকরণ কী দাঁড়াবে এই নিয়ে সব শিবিরেই অঙ্ক কষা চলছে। তবে সবাই একমত, এমন চিঠি জমা পড়লে তা কালীঘাট বা ক্যামাক স্ট্রিটের রাজনৈতিক অস্তিত্বকেই সংকটের মুখে ফেলবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*