রোজদিন ডেস্ক: পুনর্বাসন না দিয়ে রেল স্টেশন সহ হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে সোমবার প্রতিবাদ মিছিল হয়। সিটু, আই এন টি ইউ সি সহ একাধিক শ্রমিক সংগঠন এই মিছিলে অংশ নেন। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যের বিজেপি সরকার মুখে বলছে, ভরসা ইন,ভয় আউট! আদতে গরিব মানুষ কে ভয়ে রাখছে। অমানবিক ভাবে যেভাবে হকার উচ্ছেদ চলছে এর প্রতিবাদে তাঁদের আন্দোলন যতদূর যাওয়ার যাবে। হকারদের জীবিকা ফেরানোর লড়াই জারি থাকবে।
এন্টালি থেকে শিয়ালদহ অবধি এই মিছিলে সিটু, এ আই ইউ টি ইউ সি, ইউ টি ইউ সি, আই এন টি ইউ সি সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন অংশ নেন।
হকারদের বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে তাঁদের উচ্ছেদ করার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এ আই ইউ টি ইউ সি র রাজ্য সম্পাদক অশোক দাস, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার পৃথকভাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কে চিঠি ও দিয়েছেন৷ যদিও তার উত্তর মেলেনি বলে প্রকাশ।
তাঁরা দেশের সংবিধান অনুযায়ী এই ভাবে হকার উচ্ছেদ করা যায় না বলে মনে করেন।
সোমবারের এই মিছিলে অনাদি সাহু, অলকেশ দাস, দীপঙ্কর শীল, গার্গী চ্যাটার্জি, মীনাক্ষী মুখার্জি সহ বিশিষ্ট নেতারা ছিলেন।
রাতের অন্ধকারে বুলডোজার দিয়ে যেভাবে বিভিন্ন স্টেশনে হকারদের দীর্ঘ দিনের দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁরা এর তীব্র নিন্দা করেন। ধিক্কার জানান। আইন অনুযায়ী হকারদের বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা। তা না করে কর্পোরেটদের সুবিধার জন্য এই পন্থা নেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ।
মীনাক্ষী মুখার্জি বলেন, রাজ্য সরকার হকারদের দায়িত্ব নিতে চাইছে না, অথচ তাদের ভোটেই সরকার গঠন হয়েছে।
এক জাতীয় ইংরেজি দৈনিকে উচ্ছেদ হওয়া হকার রা ক্ষোভ, দুঃখ ব্যক্ত করে বলেন, তাঁরা ও এই সরকারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এক একজন ৫০ বছরের বেশি দোকান চালাচ্ছেন, তাঁদের র ও তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা উচ্ছেদের নোটিশ পেয়ে উঠে যাওয়ার জন্য সময় চেয়েছিলেন,তা না করে সব তুলে দেওয়া হয়েছে। ভেঙে দেওয়া দোকানের ধ্বংসস্তুপের সামনে তাঁদের হৃদয় বিদারক হাহাকারে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

Be the first to comment