Ramlila ময়দান অভিমুখে হুডখোলা গাড়িতে রাহুল গান্ধী-সহ নেতারা

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : 
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে রামলীলা ময়দানের সমাবেশ নিয়ে আজ সকাল থেকেই সরগরম রাজধানী দিল্লি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক নেতা-সহ বহু মানুষ এই সমাবেশে গেছেন। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে গোটা রাজধানী। দশ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধা সেনা রামলীলা ময়দানে মোতায়েন করা হয়েছে৷
কিছুক্ষণ আগেই হুডখোলা গাড়িতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা রামলীলা ময়দান অভিমুখে রওনা দিয়েছেন।

রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, এ রাজা, ফারুক আবদুল্লা, অখিলেশ যাদব, মমতা ব্যানার্জি, তেজস্বী যাদব, এম এ বেবি, সুপ্রিয়া সুলে, কে সি বেণুগোপাল সহ জোটের বিশিষ্ট নেতারা এক গাড়িতে রামলীলায় যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই রামলীলা ময়দানে ভিড় উপছে পড়েছে।
নেতাদের গাড়িতে কোন দলীয় পতাকা নেই। শুধুই জাতীয় পতাকার সমারোহ। পথে ও বহু মানুষ উচ্ছাসের সঙ্গে চলেছেন রামলীলা অভিমুখে। যা নিয়ে রীতিমত উদ্দীপিত বিরোধী নেতারা।
জ্ঞানেশ কুমার ইসুতে বিরোধী নেতারা যেভাবে এককাট্টা হয়েছেন,এতে কিছুটা হলেও অস্বস্তি তে গেরুয়া শিবির।

গত কয়েকদিন ধরেই এই সমাবেশ নিয়ে বিজেপি নেতারা তোপ দাগছেন। ১৯৮৪ র শিখ বিরোধী দাঙ্গা নিয়ে আজ দিল্লিতে বিজেপি ও মিছিল সমাবেশ করছে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী প্রমুখ শিখ অধ্যুষিত হরিনগর থেকে তিলক নগর অবধি মিছিল করছেন।

শিখ বিরোধী দাঙ্গা ছাড়া পালটা গণতন্ত্র রক্ষার ডাক দিয়েছে বিজেপি ও।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা আজ রাহুল গান্ধী নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ কে তোপ দেগে বলেন, ওঁরা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চান। বিদেশি শক্তি এর নেপথ্যে আছে। তাঁরা দেশের রাষ্ট্র বাদী মানুষ কে এর বিরুদ্ধে ঐক্য বদ্ধ হতে আহবান জানিয়েছেন।
পরস্পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সমাবেশ নিয়ে গোটা রাজধানী এখন সরগরম।
রামলীলা ময়দানের সভায় রাহুল গান্ধী সহ নেতারা কি বলেন, সব মহলের নজর এখন সেই দিকে।
ওই সমাবেশে যোগ দিতে কলকাতা থেকে অধীর চৌধুরী, শুভঙ্কর সরকার সহ কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা এখন দিল্লিতে, সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী সহ একাধিক বাম নেতাও ওখানে গেছেন।
তাঁদের সবার অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের মদতে ভোট চুরি করে বি জেপি একের পর এক রাজ্য দখল করছে।

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*