প্রতিবেদন: চোরবাগান থেকে শিক্ষা। কাকীপুজোয় বড় সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটির বড়মা মন্দির কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন। কালীপুজো উপলক্ষে ওই মন্দিরে লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীরা আসেন। সেই ভিড়ে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না তৈরি হয়, তার জন্য আগামী ৬ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত ভক্তদের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে নৈহাটির বড় মায়ের মন্দিরের দরজা। বড়মার পুজো ও মন্দির চত্বর নিরাপদ রাখতে ব্যারাকপুর পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। বড়মার মন্দিরে সারা বছর ভক্ত সমাগম লেগেই থাকে। কালীপুজোর সময় এই সংখ্যা কয়েক লক্ষে পৌঁছে যায়। ফলে ওই সময় নৈহাটির অরবিন্দ রোড এলাকায় ব্যাপক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তিন বছর আগে বড় মায়ের মন্দির এবং বড় মায়ের কষ্টিপাথরের স্থায়ী মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তারপর থেকে এই মন্দিরে নিত্য পুজো করা হয়ে থাকে। আবার ঐতিহ্য মেনে প্রতি বছর অরবিন্দ রোডের উপরে বড় মায়ের বিশাল মূর্তি গড়ে সেখানেও আলাদা পুজো হয়। সেই সময় ভিন রাজ্য থেকেও বড়মায়ের দর্শন করতে আসেন ভক্তরা। দিন দিন এই সংখ্যাও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বড়মার পুজোয় ভক্তের ভিড় সামাল দিতে এবার কালীপুজোর আগে থেকেই নৈহাটির বড়মার মন্দির দর্শনার্থীদের জন্য সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন।

Be the first to comment