রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- বিহারের নালন্দায় এক যুবতীকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার দুই পায়ে মোট ১২টি পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে। মৃতা কে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে এই লাশ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা এই হত্যাকে তন্ত্র-মন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন। কেউ কেউ আবার মনে করছেন, চিকিৎসার সময় ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছিল, তারপর পুলিশি ঝামেলা এড়াতে লাশ এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
মৃতার বয়স আনুমানিক ২৬ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বিহার শরীফ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে হরণৌত ব্লকের অন্তর্গত সরথা পঞ্চায়েতের বাহাদুরপুর গ্রামে। বুধবার কিছু গ্রামবাসী হাইওয়ের পাশে জঙ্গলের কাছে লাশটি দেখতে পান। মৃতার গায়ে ছিল লাল রঙের নাইটি। এক হাতে ছিল ব্যান্ডেজ বাঁধা, আর দু’পায়ে ছিল ৬-৬টি করে পেরেক ঠোকা। পুলিশ এখন ওই মহিলার পরিচয় জানার চেষ্টা করছে।
থানাপ্রধান জানিয়েছেন, সামাজিক মাধ্যম ও আশপাশের থানাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে মৃতার পরিচয় বের করার চেষ্টা চলছে। আপাতত মরদেহটি পরিচয়ের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ আশ্বস্ত করেছে যে, খুব শিগগিরই এই রহস্য উন্মোচিত হবে।
এদিকে, গ্রামবাসীদের মতে, যেভাবে মৃতার হাতে ব্যান্ডেজ ছিল, তাতে মনে হচ্ছে চিকিৎসার সময়ই তার মৃত্যু হয়েছিল। পরে পুলিশি তদন্ত এড়াতে লাশ এখানে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু গ্রামবাসীর ধারণা, পেরেক ব্যবহার তন্ত্র-মন্ত্র বা জাদু-টোনার জন্য করা হতে পারে। হতে পারে তন্ত্র-সাধনার জন্যই এই মেয়েটিকে বলি দেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ এটাও মনে করছেন, প্রেমঘটিত কোনো কারণে উন্মাদ কোনো ব্যক্তি তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত সত্য কী, তা পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

Be the first to comment