রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- নারী দিবস পরিচিত অপরিচিত সকল নারীদের অবদানকে কুর্নিশ জানানোর দিন। এই দিনটি প্রথম উদযাপিত হয় ১৯১০ সালে।
১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে কর্মজীবী নারীদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ক্লারা জেটকিন যিনি জার্মানিতে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ‘মহিলা অফিস’-এর নেত্রী ছিলেন। যিনি প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ধারণা উত্থাপন করেন। তিনি প্রস্তাব করেন যে প্রতি বছর প্রতিটি দেশে একই দিনে – নারী দিবস – তাদের দাবি আদায়ের জন্য একটি উদযাপন করা উচিত। ১৭টি দেশের ১০০ জনেরও বেশি মহিলা, যারা ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক দল, কর্মজীবী নারী ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেন – এবং ফিনিশ পার্লামেন্টে নির্বাচিত প্রথম তিনজন মহিলা সহ – জেটকিনের পরামর্শকে সর্বসম্মতিক্রমে স্বাগত জানান এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক নারী দিবসটি পরিণত হয়।
জল ছাড়া যেমন জীবন অচল, তেমনই নারী ছাড়া অচল একটা সভ্যতা ও সমাজ। তাই নারীদের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ৮ মার্চ সারা বিশ্বে এই বিশেষ দিনটি উদযাপিত হয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রিয় ও পরিচিত নারীদের উপহার দেওয়ার পাশাপাশি তাদের জানাতে পারেন দিনটির শুভেচ্ছা। এতে দিনের সূচনাও হবে ইতিবাচকভাবে।
কখনও মায়ের রূপে, কখনও বোন হয়ে, কখনও বন্ধু বা কখনও প্রেয়সী হয়ে বারবার নারীরা জীবন সমৃদ্ধ করে তোলে। একটি শিশুকে জন্ম দেওয়া থেকে বড় করে তোলা পর্যন্ত নারীদের অবদান অসীম। এই অবদানের কথাই মনে করিয়ে দেয় নারী দিবসের মতো একটি বিশেষ দিন।
রান্না করে খাওয়ানো থেকে বিকেলে পড়তে বসানো, মনের সব কথা খুলে বলা থেকে বিপদে পাশে পাওয়া। বারবার নারীরা পাশে এসে দাঁড়ায়, সঙ্গে থাকে।
নারীদের অনবরত ত্যাগ রয়েছে বলেই আজ সভ্যতা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছে। নারীদের এই অবদান কোনওমতেই ভুলে যাওয়ার নয়।

Be the first to comment