অবশেষে স্থলভাগে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। সর্বশক্তি নিয়ে যশ ওড়িশার বালাসোর আর পশ্চিমবঙ্গের দীঘার মাঝখান দিয়ে স্থলে ঢুকে পড়েছে। যদিও সেরকমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি পশ্চিমবঙ্গ। তবে নবান্নের কন্ট্রোলরুমে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি নজরদারি চালাচ্ছেন পরিস্থিতির উপরে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরিস্থিতির খবরাখবর দিলেন তিনি।
মমতা জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দীঘা, মন্দারমনি, শঙ্করপুরে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস ভয়ঙ্কর। সুন্দরবনের সাগর, গোসাবায় বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ইতিমধ্যেই। বহু নদী বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। নীচু জায়গাগুলি প্লাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি, সাগর, গোসাবা, নামখানা, কুলপী, কাকদ্বীপ, বাসন্তী, পাথরপ্রতিমা প্রভৃতি জায়াগা।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরও। মোট ৫১টি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে মেদিনীপুরে। দীঘা, তাজপুর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। প্লাবিত হয়েছে নন্দীগ্রামও। প্রচুর সংখ্যক মানুষকে দীঘা থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মেদিনীপুরের প্রায় ৪ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখনও সরানোর কাজ চলছে। তবে এখনই স্বস্তির কোনো কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বিপর্যয় বাড়তে পারে ভরা কোটালের জন্য। তাই পরিস্থিতির উপর ক্রমাগত নজরদারি চালানো হচ্ছে।

Be the first to comment