রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- কোরোনা ভাইরাসের নতুন ঢেউ বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। সিঙ্গাপুর, হংকং, চিন এবং থাইল্যান্ডে নতুন সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে সিঙ্গাপুরে বর্তমানে ১৪,০০০ সক্রিয় কেস রয়েছে, যার মধ্যে JN1 ভ্যারিয়েন্টের প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে।
তবে স্বস্তির খবর, এই কেসগুলির অধিকাংশই হালকা উপসর্গযুক্ত এবং মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি।
ভারত সরকার এই পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সম্প্রতি ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিসেস (DGHS)-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক আয়োজন করেছে। এতে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (NCDC), ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (ICMR) এবং কেন্দ্রীয় হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। বৈঠকে জানানো হয়, ভারতে বর্তমানে মাত্র ২৫৭টি সক্রিয় কেস রয়েছে, যা দেশের বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় নগণ্য। “আমাদের নজরদারি ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। কোনও সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত,” বলেন এক স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্মকর্তা।
সরকার জানিয়েছে, ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভেইল্যান্স প্রোগ্রাম (IDSP) এবং ICMR-এর মাধ্যমে করোনা ও অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের উপর নজর রাখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সমস্ত রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকার এবং যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, ভারতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সতর্কতা অব্যাহত রাখা জরুরি।

Be the first to comment