রোজদিন ডেস্ক :বীমা,স্বাস্থ্য বীমায় জিএসটি প্রত্যাহার-সহ এই করের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় তোলার বিরোধিতা করেছিল এই রাজ্য সরকার। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চ্যাটার্জি এই অভিযোগ তুলে বলেন, শেষ অবধি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই সব নিয়ে ভোটাভুটির হুশিয়ারি দিলে তা মানতে বাধ্য হয় রাজ্য। এমন কি ইন্ডিয়া জোটের রাজ্যগুলিও এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ায়নি।
প্রসঙ্গত বুধবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বীমা, স্বাস্থ্য বীমায় জিএসটি প্রত্যাহার-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা করেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আর্জি মেনে কেন্দ্র এই সব ব্যবস্থা নিয়েছে বলে টিএম সি নেতারা হই হই করে আসরে নামেন। তাদের এই দাবিকে পাল্টা অসত্য বলে আজ দাবি করেন বিজেপির তরুণ নেতা জগন্নাথ। তার দাবি, ওই দিনের বৈঠকে উপস্থিত রাজ্যের প্রতিনিধি জিএসটি-র এত ছাড় মানতে রীতিমত নারাজ ছিলেন। এর ফলে রাজ্যের রাজস্ব খাতে বিপুল ক্ষতির কথা বলে কেন্দ্রকে তা পূরণ এর জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। যদিও এই বিষয়ে তারা অন্য রাজ্যকে পাশে পাননি বলে জগন্নাথের দাবি। শেষ অবধি নির্মলা সীতারামন ভোটাভুটির হুশিয়ারি দিলে রাজ্য পিছিয়ে আসে। কারণ এই নিয়ে ১১ টি রাজ্যের সমর্থন দরকার ছিল। এমন কি ইন্ডিয়া জোটের কেউই এই রাজ্যের পাশে দাঁড়ায়নি।
জগন্নাথ চ্যাটার্জির দাবি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জিএসটি প্রত্যাহার ও ছাড়ের ফলে রাজ্যের ৪৫০০ কোটি টাকা মত রাজস্ব ক্ষতি হবে, অন্যদিকে লাভও হবে ১৫০০ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রর এই সিদ্ধান্তে দেশের বিভিন্ন মহলে স্বস্তির হাওয়া। একে পুঁজি করে প্রচারও শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।
পক্ষান্তরে বামপন্থী মহলের আশঙ্কা, এর নেপথ্যে কেন্দ্রর অন্য মতলব আছে। তারা আমেরিকাকে দেশের বাজারে সুবিধা করার লক্ষ্যে এই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তারা মনে করেন।
অন্যদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এইদিন পৃথকভাবে রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করেন। এই সরকারের আমলে সীমাহীন দুর্নীতি ছাড়া কিছু মেলে না বলে তার অভিযোগ।

Be the first to comment